📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রীর উপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজন আসামি

কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রীর উপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজন আসামি

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে প্রতারণার অভিযোগে পাঁচজন আসামির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। প্রধান আসামি বকুল মিয়াসহ চারজন পলাতক রয়েছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে প্রতারণার অভিযোগে পাঁচজন আসামির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলমান থাকলেও ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কেন্দুয়া থানায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছেন বকুল মিয়া (৫৫), যিনি কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাবেক সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন
  • 📌 ঘটনার শিকার স্কুলছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী, যিনি ২০২২ সালের নভেম্বরে প্রথমবার ধর্ষণের শিকার হন
  • 📌 ভুক্তভোগীর অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, তাকে বারবার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ধর্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হতো এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে প্রতারণা করা হতো
  • 📌 ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে তাকে পুনরায় একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করানো হয় বলে অভিযোগ
  • 📌 ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন এবং পরবর্তীতে থানায় মামলা দায়ের করেন

📰 বিস্তারিত

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে প্রতারণার অভিযোগে পাঁচজন আসামির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। শুক্রবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মামলার প্রধান আসামি বকুল মিয়া ভূঁইয়া (৫৫), যিনি কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাবেক সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। তার স্ত্রী মোছা. জাহানারা বেগম (৪৮), মেয়ে মোছা. লিমা (২১), আবু মিয়া (৫০) ও মোছা. স্মৃতি সহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৩-৪ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বকুল মিয়া তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি বাড়িতে নিয়ে প্রতারণা করে ধর্ষণ করেন। ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। তখন ভুক্তভোগী ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগীকে নিয়ে ধারণ করা ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে তাকে বারবার ধর্ষণ করা হয়। ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুল মিয়ার এক সহযোগী নারী তাকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান এবং সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে ধর্ষণের শিকার হন। এছাড়া ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করানো হয় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

গত ১ আগস্ট ভুক্তভোগী চট্টগ্রামে তার বড় ভাইয়ের কাছে গেলে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান। পরে ভুক্তভোগীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার বিবরণ দেন। এর আগে তিনি হুমকি ও লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু জানাননি। পরে ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করালে তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে প্রমাণিত হয়। তারপর ২৫ আগস্ট তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন।

‘এ এক মর্মান্তিক ঘটনা। অভিযুক্ত আবু মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কেন্দুয়া, নেত্রকোনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বকুল মিয়া (৫৫), আবু মিয়া (৫০), ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন আসামি, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর প্রথম ঘটনা, ২০২৫ সালের মার্চ-এপ্রিল পুনরায় ঘটনা, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুলাই পর্যন্ত ধর্ষণ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖