📌 ভোলার দৌলতখান উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অভাবের সংসারে থেকেও মেধাবী ছাত্রী মোছাম্মদ রিনা বেগম স্বপ্ন দেখেন একজন সেবিকা হওয়ার। তার মা রুমা বেগমের কঠোর পরিশ্রম আর স্থানীয় আলোর পাঠশালার সহায়তায় রিনা এগিয়ে চলেছেন তার স্বপ্নের দিকে
ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অভাব আর প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের স্বপ্নকে ধরে রেখেছেন মোছাম্মদ রিনা বেগম নামের এক মেধাবী ছাত্রী। ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত রিনা ভবিষ্যতে একজন সেবিকা (নার্স) হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তার এই স্বপ্নপূরণে সহায়তা করছে স্থানীয় 'মদনপুর আলোর পাঠশালা' নামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলার দৌলতখান উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অভাবের মধ্যে বেড়ে উঠছে রিনা
- 📌 রিনার বাবা পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় মা রুমা বেগমের নেতৃত্বে সংসার চালাতে হয়
- 📌 রিনার মা জানান, আলোর পাঠশালার বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ না থাকলে মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে পারতেন না
- 📌 রিনা নিজের লক্ষ্য প্রকাশ করেন, তিনি বড় হয়ে সেবিকা হতে চান অসুস্থ মানুষের সেবা করার জন্য
📰 বিস্তারিত
ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত মদনপুর আলোর পাঠশালার নিয়মিত ছাত্রী মোছাম্মদ রিনা বেগম। তার পরিবারে রয়েছে চার বোন। রিনার বাবা পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় মা রুমা বেগমকে সংসারের হাল ধরতে হয়। অসহায় অবস্থায় তারা আশ্রয় নেন নানা বাড়িতে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে কিছুদিন পরই রিনার নানা মারা যান। এরপর থেকে রিনার মা ও নানু মিলে অন্যের গরু ও মহিষ বর্গা নিয়ে লালন-পালন শুরু করেন। সেই সামান্য আয় দিয়ে কোনোমতে চলছে তাদের জীবনসংগ্রাম।
রিনার মা রুমা বেগম জানান, ‘চারটা মেয়ে নিয়ে খুব কষ্টে সংসার চালাচ্ছি। মদনপুর আলোর পাঠশালা না থাকলে মেয়েটাকে স্কুলে পাঠাতে পারতাম না। বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়ায় আজও রিনার পড়ার স্বপ্নটা বেঁচে আছে।’ তিনি আরও বলেন, রিনা খুব মেধাবী। তার স্বপ্ন পূরণে আমরা সবসময় সহযোগিতা করছি।’
রিনা নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে বলেন, ‘আমি বড় হয়ে একজন সেবিকা হতে চাই। যাতে অসুস্থ মানুষের সেবা করার পাশাপাশি পরিবারের কষ্ট দূর করতে পারি।’ তার এই স্বপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে স্থানীয় আলোর পাঠশালা। প্রতিষ্ঠানটি উপকূলীয় ও পিছিয়ে পড়া এলাকার শত শত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে এবং তাদের স্বপ্নপূরণে নতুন সাহস জুগিয়ে যাচ্ছে।
"আমি বড় হয়ে সেবিকা হতে চাই। যাতে অসুস্থ মানুষের সেবা করার পাশাপাশি পরিবারের কষ্ট দূর করতে পারি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলা
- 👥 ব্যক্তি: মোছাম্মদ রিনা বেগম, রুমা বেগম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারজন কন্যা সন্তান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!