📌 ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম চাঁপাইনবাবগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, দেশ পুনর্গঠনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বই হবে মূল চালিকাশক্তি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদিক কায়েম বলেছেন, দেশকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বই হবে প্রধান মাধ্যম। তিনি শুক্রবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার আয়োজনে এসএসসি/দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম দেশকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে পুনর্গঠনের স্বপ্ন ব্যক্ত করেন
- 📌 তিনি বলেন, গত ৫৫ বছরে দেশে যত নেতৃত্ব এসেছে, তাদের অধিকাংশই জাতির কল্যাণ করতে পারেনি
- 📌 জুলাই বিপ্লবে শহীদ আনাসসহ ১৩৩ শিশু ও ১৪০০-এর অধিক মানুষের জীবনদানের উদ্দেশ্য ছিল দেশ পুনর্গঠন
- 📌 তিনি উল্লেখ করেন, দেশের কল্যাণে নেতৃত্ব দেওয়ার পরিবর্তে অনেক নেতা দুর্নীতিবাজ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন
- 📌 সাদিক কায়েম বলেন, শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ক্যাম্পাস ও সমাজ থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে দেশকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "আমরা একটা ইনসাফের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। তাই তোমাদেরকে সাথে নিয়ে এই বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে নিরাপদ রাখব ইনশাল্লাহ।"
তিনি আরও বলেন, গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশে অসংখ্য নেতৃত্ব এসেছে, যারা জাতির কল্যাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই বিপ্লবে শহীদ আনাসসহ ১৩৩ শিশু ও ১৪০০-এর অধিক মানুষের জীবনদানের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশকে নতুনভাবে পুনর্গঠন করা।
সাদিক কায়েম বলেন, জীবনের সফলতা হলো একজন ভালো মানুষ হওয়া। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, অনেক শিক্ষার্থী এসএসসি, এইচএসসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ ফলাফল করলেও তারা জাতির কল্যাণ করতে পারেনি। তিনি বলেন, "আমরা যদি গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদির সময়ের চিত্র দেখি, যারা এমপি-মন্ত্রী ছিল, তারা মানুষের কল্যাণের কারণ হতে পারেনি। বরং তারা অভিশাপের কারণ হয়েছে। তারা মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে, আয়নাঘর তৈরি করেছে। তারা হেলিকপ্টারে করে গুলি করে রিয়া গোপের মতো একজন শিশুকে হত্যা করেছে।"
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদ মানেই দুর্নীতিবাজ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র যখন দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তখন দুইজন মন্ত্রী ছিলেন যাদের বিরুদ্ধে এক টাকার দুর্নীতিও প্রমাণিত হয়নি। তারা হলেন শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুজাহিদ।
সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর তারা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "আমরা বিগত সময়গুলোতে ক্যাম্পাসগুলোতে যে সন্ত্রাসীর রাজনীতি দেখেছি, সেই কবর রচনা করব। আমরা সুস্থ ধারার রাজনীতি করব। সেটা আমরা ঢাবিসহ বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাসে প্রমাণ করেছি।" তিনি উল্লেখ করেন, ডাকসুসহ পাঁচটি ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা তাদের উপর আস্থা রেখেছে।
"আমরা দেখিয়েছি কীভাবে আমাদের শিক্ষার্থীদের মৌলিক সংকটগুলো দূর করতে হবে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, খাদ্য সমস্যা, পরিবহন সংকট, স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রত্যেকটি জায়গায় আমরা কাজ করার চেষ্টা করেছি। তার ফলে শিক্ষার্থীরাই বলে আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যে কাজ করেছি, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এত কাজ কেউ করতে পারেনি। সেটা আমাদের কথা ও কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদিক কায়েম (ডাকসু ভিপি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৩ জন শহীদ, ১৪০০-এর অধিক শহীদ, ৫৫ বছর, ১৬ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!