📌 রাজশাহীর দুর্গাপুরে মোবাইল চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার পানানগর ইউনিয়নের মহিপাড়া গ্রামে মোবাইল ও টাকা চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্মম নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এ সময় কিশোরের হাত-পায়ের নখ তুলে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন
- 📌 ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে
- 📌 কিশোর রিয়াজুল ইসলাম রিফাত (১৪) নামে পরিচিত, যার বাবা আনোয়ার হোসেন
- 📌 ঘটনার সময় উত্তেজিত জনতা কিশোরের নখ তুলে ফেলার হুমকি দেয়
📰 বিস্তারিত
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, মহিপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম রিফাত (১৪) তার নানির বাড়িতে থাকতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে উত্তেজিত জনতা তাকে আমগাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে, ‘তুই মোবাইল চুরি করলি ক্যা?’ উত্তরে কিশোর কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘আব্বা সব শিখে দিছে, চুরি করতে বলে।’
এ সময় উত্তেজিত জনতা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বলে, ‘হাইসা নিয়ে আসো এর নখ কেটে দাও।’ কিশোর রিফাত তখন বলেন, ‘হাইসা আনো আমার নখ কাটো, কাটো।’ ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর কিশোর রিফাতের বাবা আনোয়ার হোসেন জানান, তিনি ঘটনার বিষয়ে অবগত রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, তার ছেলে মহিপাড়া গ্রামে তার নানির বাড়িতে থাকতেন।
"তুই মোবাইল চুরি করলি ক্যা? আব্বা সব শিখে দিছে, চুরি করতে বলে।" — কিশোর রিফাত
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা, মহিপাড়া গ্রাম
- 👥 ব্যক্তি: রিয়াজুল ইসলাম রিফাত (১৪), আনোয়ার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ঘটনার ভিডিওর দৈর্ঘ্য ৫৩ সেকেন্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!