📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বিগত দুই সপ্তাহ ধরে এসি ব্যবস্থা বিকল থাকায় শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত গরমে পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছেন। লাইব্রেরির উপ-গ্রন্থাগারিক জানিয়েছেন, মেরামতের প্রক্রিয়া সরকারি বিধির কারণে দীর্ঘায়িত হচ্ছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বিগত প্রায় বিশ দিন ধরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিকল থাকায় শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত গরমের মধ্যে পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় লাইব্রেরিতে অবস্থান করা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বিগত প্রায় বিশ দিন ধরে এসি ব্যবস্থা বিকল রয়েছে
- 📌 লাইব্রেরির বিভিন্ন তলা থেকে উদ্ধৃত চৌদ্দটি এসি মেরামতের জন্য খুলে নেওয়া হয়েছে
- 📌 অতিরিক্ত গরমের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা
- 📌 লাইব্রেরির উপ-গ্রন্থাগারিক সাইফুল ইসলাম মোল্লা জানিয়েছেন, সরকারি বিধির কারণে মেরামত প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বিগত প্রায় বিশ দিন ধরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিকল থাকায় শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত গরমের মধ্যে পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছেন। লাইব্রেরির ভেতরের পরিবেশ তুলনামূলক গরম থাকায় অনেক শিক্ষার্থী অস্বস্তির মধ্যেই পড়াশোনা করছেন। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাফি আল হাসনাত বলেন, ‘খুবই কষ্ট হচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে স্বাভাবিকভাবে পড়াশোনা করা ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় লাইব্রেরিতে বসে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী মইনুদ্দীন জানান, প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে এই সমস্যা চলছে। যেসব শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র এখনো চালু আছে, সেগুলোও পর্যাপ্ত নয়। ফলে অতিরিক্ত গরমের মধ্যে পড়াশোনা করতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উপ-গ্রন্থাগারিক সাইফুল ইসলাম মোল্লা জানান, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থেকে চৌদ্দটি এসি খুলে রিপেয়ারিংয়ের জন্য নেওয়া হয়েছে। এগুলো বিজ্ঞান কারখানা থেকে অর্থাৎ সেন্ট্রালি সার্ভিসিং হয়। ওরাই সব এসির দেখভাল করে। তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান কারখানার মেকানিকেরা এসে যন্ত্রগুলো পরীক্ষা করে কী কী যন্ত্রাংশ প্রয়োজন এবং মেরামতে কত টাকা খরচ হবে তার একটি প্রাক্কলন দিয়েছে। সেই অনুযায়ী রেজিস্ট্রার ভবনে নোট দেওয়া হয়েছে।
‘সরকারি টাকা হওয়ায় একটা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। আগে আমাদের কাছে বাৎসরিক বাজেট ছিল, তখন বাইরে থেকে সার্ভিসিং করানো যেত, ফলে এতটা সময় লাগত না তখন। এখন সেই সুযোগ নেই।’
মেরামতের কাজ শুরু হতে কিছুটা সময় লাগার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘রেজিস্ট্রার ভবন থেকে অনুমোদন পাওয়ার পরই অর্থ বরাদ্দ করা সম্ভব হবে। রেজিস্ট্রার বিল্ডিং থেকে ভিসি স্যার ও ট্রেজারারের অনুমোদন হয়ে চেক আসবে। ওই চেক পাওয়ার পর আমরা বিজ্ঞান কারখানায় টাকা পাঠিয়ে দেব। এরপর তারা কাজ শুরু করবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাইফুল ইসলাম মোল্লা (উপ-গ্রন্থাগারিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় বিশ দিন, চৌদ্দটি এসি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!