📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রামপুরা-বাড্ডা হত্যাকাণ্ডে কামরুল ইসলামের সম্পৃক্ততা অস্বীকার সাক্ষীর জবানবন্দিতে

রামপুরা-বাড্ডা হত্যাকাণ্ডে কামরুল ইসলামের সম্পৃক্ততা অস্বীকার সাক্ষীর জবানবন্দিতে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা-বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন সাক্ষী সাকিব আহম্মেদ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁর জবানবন্দি ও জেরা চলাকালে এ তথ্য উঠে আসে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত রামপুরা-বাড্ডা হত্যাকাণ্ডে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন সাক্ষী মো. সাকিব আহম্মেদ। ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ উপস্থিত থাকা অবস্থায় সোমবার তাঁর জবানবন্দি ও জেরা সম্পন্ন হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাক্ষী সাকিব আহম্মেদ জানান, রামপুরা-বাড্ডা হত্যাকাণ্ডে কামরুল ইসলাম জড়িত ছিলেন না
  • 📌 বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ নিজেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন
  • 📌 রাষ্ট্রপক্ষ পুনর্জবানবন্দির আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা অনুমোদন দেয়
  • 📌 পুনর্জবানবন্দিতে সাক্ষী সাকিব জানান, হত্যাকাণ্ডের জন্য শেখ হাসিনা, কামরুল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন ও কারফিউ জারির মিটিংয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের দায়ী করেন

📰 বিস্তারিত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে গত ২৩ জুন জবানবন্দি দেন সাকিব আহম্মেদ। তাঁর জবানবন্দি দেওয়া সম্পন্ন না হওয়ায় সোমবার পুনরায় ট্রাইব্যুনালে তাঁকে উপস্থিত করা হয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. বদিউজ্জামান তপাদার সাক্ষীকে জেরা করার সময় সরাসরি প্রশ্ন করেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা-বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কামরুল ইসলাম জড়িত ছিলেন না।’ বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ নিজেই বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য সাক্ষীকে একই প্রশ্ন করেন। সাক্ষী তখন ‘হ্যাঁ’ জবাব দেন, যা ট্রাইব্যুনালের নথিতে লিপিবদ্ধ হয়।

এ ঘটনায় রাষ্ট্রপক্ষ বারবার আপত্তি জানালেও বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় সাক্ষীকে প্রশ্ন ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, প্রশ্ন বাংলায় করা হয়েছে এবং সাক্ষী তা না বুঝলে উত্তর দেওয়ার সময় জানাতে পারতেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা সম্পন্ন করেন।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষ পুনর্জবানবন্দির আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা অনুমোদন দেয়। পুনর্জবানবন্দিতে সাক্ষী সাকিব আহম্মেদ বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা-বাড্ডায় যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তার জন্য শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন এবং যাঁরা কারফিউ জারির মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন তাঁদের দায়ী করি।’

"জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা-বাড্ডায় যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তার জন্য শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন এবং যাঁরা কারফিউ জারির মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন তাঁদের দায়ী করি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাকিব আহম্মেদ, কামরুল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন, শফিউল আলম মাহমুদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ (জুন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖