📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার ঘটনার জবানবন্দি দিয়েছেন তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী রাতুল হাসান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার ঘটনার জবানবন্দি দিয়েছেন তেজগাঁও কলেজের মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. রাতুল হাসান। তাঁর জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয় যে, গুলিবিদ্ধ স্থানে তাঁর দেড় ইঞ্চির মতো হাড় ক্ষয় হয়ে ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার ঘটনার জবানবন্দি দেন তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী রাতুল হাসান
- 📌 গুলিবিদ্ধ স্থানে তাঁর দেড় ইঞ্চির মতো হাড় ক্ষয় হয়ে ভেঙে চুরমার হয়ে যায়
- 📌 ঘটনার দিন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর রামপুরা মাল্টিকেয়ার হাসপাতালের সামনে আন্দোলনে অংশ নেন রাতুল
- 📌 ঘটনার দিন বিজিবি ও পুলিশের গুলিবর্ষণের ফলে তাঁর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচে গুলি লাগে
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার ঘটনার জবানবন্দি দিয়েছেন তেজগাঁও কলেজের মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. রাতুল হাসান। তাঁর জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয় যে, গুলিবিদ্ধ স্থানে তাঁর দেড় ইঞ্চির মতো হাড় ক্ষয় হয়ে ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
এই মামলার ১২তম সাক্ষী হিসেবে তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর রামপুরা মাল্টিকেয়ার হাসপাতালের সামনে তাঁরা আন্দোলনে যোগ দেন। তখন তাঁদের সামনে বিজিবি ও পুলিশ অবস্থান করছিল। কোনোরকম সতর্কবার্তা ছাড়াই তাঁদের ওপর গুলিবর্ষণ শুরু করে বিজিবি ও পুলিশ।
রাতুল বলেন, তখন তিনি বেটার লাইফ হাসপাতালের দিকে দৌড় দিলে একটি গুলি তাঁর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচে পেছন দিক দিয়ে ঢুকে সামনের দিক দিয়ে বের হয়ে যায়। সেই ক্ষতস্থানে তাঁর দেড় ইঞ্চির মতো হাড় ক্ষয় হয় এবং ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
"সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনের মাধ্যমে জানতে পারেন, ঘটনার দিন বিজিবির রেদোয়ান ও রাশেদ এবং পুলিশের মশিউর ও একজন এডিসি গুলি করেন। পরে আরও জানতে পারেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ওবায়দুল কাদের এই গুলির নির্দেশ দেন। যাঁরা গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং যাঁরা গুলি করেছেন, তাঁদের বিচার চান রাতুল।"
২০২৪ সালের ২৫ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘদিন কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বলে জানান রাতুল। তিনি বলেন, তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর রামপুরা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাতুল হাসান (তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ (সাক্ষীর ক্রমিক), ১৯ জুলাই ২০২৪, ২৫ জুলাই ২০২৪, দেড় ইঞ্চি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!