📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জুলাই অভ্যুত্থানে বিদ্যুৎ–ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় গুলিবিদ্ধ হন কলেজছাত্র মামুন

জুলাই অভ্যুত্থানে বিদ্যুৎ–ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় গুলিবিদ্ধ হন কলেজছাত্র মামুন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় বাসার বাইরে বের হন রাজধানীর রামপুরার কলেজছাত্র মামুন মিয়া। বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁর ভাই

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মামুন মিয়ার ভাই মো. রুবেল। তিনি তাঁর ভাইয়ের মৃত্যু সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রাত ২টার দিকে প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানতে পারেন মামুন মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়েছেন
  • 📌 বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় মামুন বাসার বাইরে বের হন বলে জানান তাঁর ভাই
  • 📌 বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে মামুনের মাথায় গুলি লাগে, পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন
  • 📌 মামুন সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন

📰 বিস্তারিত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় বাসার বাইরে বের হন মামুন মিয়া। তাঁর ভাই মো. রুবেল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দেন যে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রাত ২টার দিকে প্রতিবেশী নিরব তাঁকে জানান যে মামুন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। নিরব তাঁকে বলেন, ‘মামা, রক্ত লাগবে। দ্রুত ব্যবস্থা করেন।’

মামুন নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর ভাই গাজীপুরে পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ভোর ৫টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে তিনি দেখেন মামুন অক্সিজেন লাগানো অবস্থায় আছেন। মামুনের মাথার পেছন দিক থেকে গুলি লেগে বাঁ চোখের ওপর দিয়ে বের হয়ে যায়। তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয় এবং লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরের দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মামুন সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনার সময় তিনি রামপুরার ওয়াপদা রোডে ওমর আলী লেনে থাকতেন। তাঁর ভাই রুবেল জানান, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট না থাকায় মামুন বাসার বাইরে বের হন। রামপুরা ওয়াপদা রোডের মাথায় তিন-চারটি গাড়ি সাইরেন বাজিয়ে আসলে সবাই ছুটোছুটি শুরু করেন। তখন বিজিবি ও পুলিশ গুলি ছুড়লে মামুনের মাথায় গুলি লাগে।

"বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট না থাকায় আমার ভাই বাসার বাইরে বের হন। তখন বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁদের বিচার চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুন মিয়া, মো. রুবেল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ জুলাই, ২০২৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖