📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশ প্রমাণিত হয়নি বলে দাবি করেছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ইশরাত জাহান। ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্তে নেতাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি
ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশ প্রমাণিত হয়নি বলে দাবি করেছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ইশরাত জাহান। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ চার নেতার বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন ও ওয়ালি আসিফ ইনান জুলাই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দেননি বলে দাবি স্টেট ডিফেন্সের
- 📌 প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্তে নেতাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়নি বলে জানান ইশরাত জাহান
- 📌 যুবলীগ নেতা শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিলের বিরুদ্ধেও হত্যার নির্দেশ প্রমাণিত হয়নি
- 📌 নিখিলের বিরুদ্ধে অস্ত্র বহনের অভিযোগে কোনো আলামত উপস্থাপিত হয়নি বলে দাবি আইনজীবীর
- 📌 আগামী ১৬ আগস্ট অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন ইশরাত জাহান
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশ প্রমাণিত হয়নি বলে দাবি করেছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ইশরাত জাহান। তিনি বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় বলেন, প্রসিকিউশন যেসব অভিযোগ এনেছে, তার সঙ্গে নেতাদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ইশরাত জাহান ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের নেতৃত্বাধীন সংগঠনের সদস্যরা সবাই নেতার নির্দেশ মানবেন—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক সদস্য তখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে ইশরাত জাহান বলেন, ‘যারা নিজেদের রাজাকার দাবি করে, তাদের আমরা শেষ দেখে নেব’—এ ধরনের বক্তব্যকে হত্যার নির্দেশ হিসেবে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়। তার মতে, এখানে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে, হত্যার আহ্বান নয়।
নিখিলের বিরুদ্ধে অস্ত্র বহনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ভিডিও বা অন্য কোনো আলামতে তাকে অস্ত্র হাতে দেখা যায়নি। সাক্ষীরাও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাদ্দাম ও ইনানের মিছিলকে প্রসিকিউশন অপরাধ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
"ছাত্রলীগের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক হলেই মাঠপর্যায়ের সব নেতাকর্মী তাদের নির্দেশ মেনে চলবেন—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সে সময় ছাত্রলীগের সদস্যপদ নেওয়া অনেকেই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। তাই সংগঠনের সব সদস্যের কর্মকাণ্ডের দায় নেতৃত্বের ওপর বর্তায় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশরাত জাহান, সাদ্দাম হোসেন, ওয়ালি আসিফ ইনান, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নেতা, ১৩ আগস্ট, ১৬ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!