📌 যশোর শহরের লিচুতলা এলাকায় ছুরিকাঘাতে নিহত হন চার মামলার আসামি আল-আমিন। পুলিশ জানায়, তিনি এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। স্থানীয়দের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে
যশোর শহরের লিচুতলা বাবুর সেগুনবাগান এলাকায় ছুরিকাঘাতে হত্যার শিকার হন চার মামলার আসামি আল-আমিন ওরফে পেরেক আলামিন (২৮)। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে তাঁকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা তাঁকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোর শহরের লিচুতলা এলাকায় ছুরিকাঘাতে নিহত চার মামলার আসামি আল-আমিন
- 📌 নিহত আল-আমিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মাদকসহ অন্তত চারটি মামলা রয়েছে
- 📌 স্থানীয়দের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে
- 📌 ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ তদন্ত করছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে যশোর শহরের লিচুতলা বাবুর সেগুনবাগান এলাকায় ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। নিহত আল-আমিন ওরফে পেরেক আলামিন (২৮) শহরের বারান্দীপাড়া বউবাজার এলাকার মৃত আক্কাস আলীর ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান জানান, আল-আমিন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত চারটি মামলা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয়রা জানান, আল-আমিন এক সময় সন্ত্রাসী কার্যক্রম, মাদক কারবার ও চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি সুপথে ফিরেছিলেন বলে জানা যায়। তবে পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
"আল-আমিন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদকসহ অন্তত চারটি মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর শহরের লিচুতলা বাবুর সেগুনবাগান এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল-আমিন ওরফে পেরেক আলামিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারটি মামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!