📌 যশোরের শার্শা উপজেলার সোনামুখো বিলে দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অক্সিজেন সংকট দেখা দেয়। ফলে প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার মাছ মারা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন
যশোরের শার্শা উপজেলার সোনামুখো বিলে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অক্সিজেন সংকট দেখা দেয়। এতে প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার মাছ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারিরা। গত শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়ে রোববার সকালেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের শার্শা উপজেলার সোনামুখো বিলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অক্সিজেন সংকট দেখা দেয়
- 📌 প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার মাছ মারা গেছে বলে দাবি খামারিদের
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত খামারের মালিক আলফাজুল হক ও ফারুক হোসেন
- 📌 ক্ষতির পরিমাণ: প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকা
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত খামারের আয়তন: ২০০ বিঘা, উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: প্রায় ১০ হাজার মণ
📰 বিস্তারিত
যশোরের শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রায়পুর-সোনামুখো বিলে অবস্থিত এ এফ মৎস্য খামারে গত শনিবার রাত থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুরু হয়। দিনে-রাতে ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হওয়ায় ঘেরে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিপুল পরিমাণ পাবদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা যায়। খামার মালিক আলফাজুল হক জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। বৈরী আবহাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
খামার মালিক ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমরা পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছি। হয়ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারব না।’ তিনি জানান, রাত ১টার পর থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। সকাল হওয়ার আগেই বিপুল পরিমাণ পাবদা মাছ মারা যায় এবং পচতে শুরু করে।’
ক্ষতিগ্রস্ত খামারের আয়তন ২০০ বিঘা। এখানে ৬০ লাখ পিস পাবদা মাছ চাষ করা হয়েছিল। প্রতি ১৫টি পাবদা মাছে প্রায় এক কেজি হিসেবে মোট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার মণ। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ মাছের দাম প্রায় ১৫ হাজার টাকা। সে হিসাবে মাছের বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকা।
‘মাছের খাদ্য বাবদ বাকিতে বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার মালামাল নিয়েছি। এই ঋণ কীভাবে শোধ করব, কিছুই বুঝতে পারছি না।’ — আলফাজুল হক, খামার মালিক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর জেলার শার্শা উপজেলা, সোনামুখো বিল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলফাজুল হক, ফারুক হোসেন
- 🔢 ক্ষতির পরিমাণ: প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকা
- 🔢 ক্ষতিগ্রস্ত খামারের আয়তন: ২০০ বিঘা
- 🔢 উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: প্রায় ১০ হাজার মণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!