📌 বাংলাদেশের তৈরি পোশাক দেখে গর্বিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখে নিজেকে গর্বিত বলে জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের তৈরি পোশাক দেখে গর্বিত হওয়ার কথা জানান ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
- 📌 দুই দেশের যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের মাধ্যমে গার্মেন্টস খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি
- 📌 বাংলাদেশ ও ভারতের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার
- 📌 বৈঠকে স্থলবন্দর পুনরায় চালু, স্থলপথে সুতা আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখে নিজেকে গর্বিত বলে জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও দীনেশ ত্রিবেদী।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্ববাজারে অত্যন্ত সফল। এ খাতে ভারত জিপার, বোতাম, মেশিনারি ও অন্যান্য উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে পারে। এর ফলে দুই দেশের শিল্পখাতের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়বে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও উভয় দেশের সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রমে গতি কমেছে। তিনি আরও বলেন, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। স্থলবন্দরগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালনা, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালু এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
"বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। কোনো দেশ বড় বা ছোট নয়; উভয় দেশ সমতার ভিত্তিতে কাজ করবে। এই সম্পর্কের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক যত শক্তিশালী হবে, অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতার সুযোগ তত বাড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীনেশ ত্রিবেদী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!