📌 বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যবস্থায় সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা ও সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত
- 📌 স্থলপথে সুতা আমদানির বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে উদ্যোগ
- 📌 দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যবস্থায় সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব
- 📌 দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে দ্বিপক্ষীয় মতপার্থক্য দূরীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ
- 📌 বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বৈঠকে জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রমে গতি কমেছে। তিনি আরও বলেন, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে স্থলবন্দরগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালু এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যৌথ টাস্কফোর্স গঠন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাবও বৈঠকে এসেছে। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও উভয় দেশের সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। কোনো দেশ বড় বা ছোট নয়; উভয় দেশ সমতার ভিত্তিতে কাজ করবে।
"বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্ববাজারে অত্যন্ত সফল। এ খাতে ভারত জিপার, বোতাম, মেশিনারি ও অন্যান্য উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে পারে। এতে দুই দেশের শিল্পখাতের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়বে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখে আমি গর্বিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, দীনেশ ত্রিবেদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!