📌 রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা খুনের রাতে ইয়াবা সেবন করে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে অবস্থান করছিল বলে দাবি পুলিশের। অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা অবশ্য নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস (২৩) ও মুগ্ধ দাস (১৯) খুনের রাতে নিজেদের বাড়িতে ছিলেন না বলে দাবি করলেও পুলিশের অভিযোগ, তাঁরা ইয়াবা সেবনের পর গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে অবস্থান করছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে
- 📌 অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস খুনের রাতে নিজেদের বাড়িতে ছিলেন না বলে দাবি তাঁদের পরিবারের সদস্যরা
- 📌 পুলিশের অভিযোগ, অভিযুক্তরা ইয়াবা সেবনের পর গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে অবস্থান করছিলেন
- 📌 শনিবার গভীর রাতে চারজনের মরদেহ উদ্ধারের পর অভিযুক্তদের আটক করা হয়
- 📌 অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা জানান, তাঁরা আতঙ্কে রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস খুনের রাতে নিজেদের বাড়িতে ছিলেন না বলে দাবি করলেও পুলিশের অভিযোগ, তাঁরা ইয়াবা সেবনের পর গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে অবস্থান করছিলেন।
শনিবার গভীর রাতে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধারের সময় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থকে তাঁর চাচার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। একই সময় মুগ্ধর বাড়িতে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। পরে শ্মশান এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
সিদ্ধার্থের মা পাপড়ী রানী জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধার্থ বাড়ি থেকে বেরিয়ে ফুটবল খেলতে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি সকাল ১১টার দিকে বাড়িতে ফেরেন। সিদ্ধার্থের বাবা কানু দাস বলেন, মুগ্ধই এক নম্বর নেশাখোর এবং সে তাঁর ছেলেকে খাওয়াত। তিনি প্রশাসনের কাছে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
অন্যদিকে, সীমান্তের বাবা সুবাস দাস জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর ছেলে সীমান্ত বাড়িতে ফেরে। রাত ১২টার দিকে সিদ্ধার্থ তাঁদের বাড়িতে এলেও কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে যায়। মুগ্ধর মা সেনা রানী জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ বাড়িতে ছিলেন না। শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি ছেলের ঘরে তালা দেখতে পান। পরে তালা খুলে দেখেন, মুগ্ধ ঘরে নেই। সকাল ১১টার দিকে মুগ্ধ বাড়িতে ফিরে আসে।
পুলিশের দাবি, গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যাওয়ার আগে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ সীমান্তের বাড়িতে ইয়াবা সেবন করেন। পরে তাঁরা গণপতির বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবন করছিলেন। বিষয়টি গণপতি দেখে ফেলায় তাঁকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের ভাষ্য।
"মুগ্ধই এক নম্বর নেশাখোর! ওই আমার ছেলেটাকে সব সময় ডেকে ডেকে খাওয়াত। তারা দুজনে খুন করছে, নাকি আরও কেউ ছিল ওরাই বলতে পারবে। প্রশাসন ওকে গুলি করি মারুক। খারাপকে রাখার দরকার নেই।" — কানু দাস, সিদ্ধার্থের বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাছুয়াপাড়া, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (খুন), ২৩ (সিদ্ধার্থের বয়স), ১৯ (মুগ্ধের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!