📌 জামালপুরের মাদারগঞ্জে দুই দিনের ব্যবধানে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। এক কিশোরীকে সেচঘরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা। অন্যদিকে দোকানে ব্যবসায়ীর মৃত্যু নিয়ে পরিবারের সন্দেহ। দুই ঘটনাতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় দুই দিনের ব্যবধানে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এক কিশোরীকে সেচঘরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে দোকানে ব্যবসায়ীর মৃত্যু নিয়ে পরিবারের সন্দেহ প্রকাশের পর তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুরের মাদারগঞ্জে দুই দিনে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার
- 📌 সেচঘরে পাওয়া যায় ১৫ বছর বয়সী কিশোরী রূপসীর লাশ
- 📌 দোকানে পাওয়া যায় ৪৫ বছর বয়সী ভাঙারি ব্যবসায়ী সামিউল ইসলামের লাশ
- 📌 রূপসীর গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল বলে জানিয়েছেন থানার ওসি
- 📌 সামিউল ইসলামের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের সন্দেহ প্রকাশ
📰 বিস্তারিত
মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পূর্বপাড়া বৈশাখীগাড়ী আকন্দবাড়ি এলাকায় অবস্থিত একটি সেচঘর থেকে শুক্রবার সকালে রূপসী নামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রূপসী চরপাকেরদহ ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া গ্রামের সাইরুদ্দিনের মেয়ে। ঘটনার বিবরণ দিয়ে সাইরুদ্দিন জানান, তাঁর মেয়ের মোবাইল ফোনে প্রায়ই এক যুবক ফোন করত। বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি মেয়ের ফোন বন্ধ করে দেন। পরে ফোন চালু করার পর এক অজ্ঞাত নম্বর থেকে যুবকটি ফোন করেন এবং তাঁর কণ্ঠ শুনে কল কেটে দেন। তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মেয়ের খোঁজে গিয়ে দেখেন তিনি ঘরে নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় জানান, মৃতদেহটির গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার জাঙ্গালিয়া পূর্বপাড়া এলাকায় দোকানের ভেতর থেকে সামিউল ইসলাম ওরফে ফকির আলী নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সামিউল ইসলাম ওই এলাকার মৃত হরমুজ আলীর ছেলে। জানা গেছে, সামিউল ইসলাম রাতে দোকানেই থাকতেন এবং সেখানে রান্নাবান্না করে খেতেন। গত বুধবার রাতেও খাবার খেয়ে দোকানের ভেতর ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। সারা দিন দোকান বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে সামিউলের ভাই রিক্সন দোকানে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি দোকানের তালা ভেঙে শাটার খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় দোকানের মেঝেতে সামিউল ইসলামের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
"পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাদারগঞ্জ, জামালপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রূপসী (১৫), সামিউল ইসলাম (৪৫), স্নেহাশীষ রায় (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর, ৪৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!