📌 জামালপুরে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে দিনে গড়ে ১৫ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। জাতীয় গ্রিড থেকে মাত্র ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে গ্রাহকরা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন
জামালপুর জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দিনে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় পানির সংকটসহ ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় দিনে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে
- 📌 সমিতির মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. সাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা সহায়তা চাওয়া হয়েছে
- 📌 জাতীয় গ্রিড থেকে মাত্র ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে, ফলে দৈনিক ৯০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে
- 📌 জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় আট লাখ
📰 বিস্তারিত
জামালপুর জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় দিনে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট। বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ অফিস, উপকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে জেলার বিভিন্ন বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছে তারা। গত বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত চিঠি দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. সাহিদুল ইসলাম বলেন, সমিতির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুতের গড় চাহিদা প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিন প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে। প্রচণ্ড গরম ও অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ফেসবুক পোস্টে গ্রাহকেরা বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
"আমাদের ইচ্ছায় লোডশেডিং হয় না। জাতীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ কম পাওয়ার কারণেই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাহিদুল ইসলাম (জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক, চলতি দায়িত্ব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ঘণ্টা (লোডশেডিং), ১৭০ মেগাওয়াট (বিদ্যুতের গড় চাহিদা), ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ (জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ), ৯০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট (লোডশেডিং পরিমাণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!