📌 আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা ভূমি অধিকার ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন। সরকার পরিবর্তন হলেও আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বক্তারা
সরকার পরিবর্তন হলেও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমির মালিকানা ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। পাহাড় ও সমতলে বিচারহীনতা, অন্যায্য জমি দখল ও বৈষম্যের কারণে আদিবাসীরা নিজ ভূমিতে পরবাসী হয়ে রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশে ৫০টির বেশি জাতিসত্তার বসবাস রয়েছে।
- 📌 আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ছিল ‘আদিবাসী জীবন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন’।
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মূল বিষয়গুলো এখনো অকার্যকর বলে উল্লেখ করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
- 📌 সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সারা হোসেন আদিবাসী কোটা পুনর্বহালের দাবি জানান।
- 📌 আলোচনা সভায় আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও ভূমি অধিকারের দাবি জোরালোভাবে উঠে আসে।
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা ভূমি অধিকার ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন। সরকার পরিবর্তন হলেও আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বক্তারা।
আজ রোববার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত আলোচনা সভায় মানবাধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অংশ নেন। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হন। তাঁদের বর্ণিল পোশাকে চারপাশে ভিন্ন এক আবহ তৈরি হয়।
মানবাধিকারকর্মী ও ‘নিজেরা করি’–এর সমন্বয়কারী খুশী কবির বলেন, একের পর এক শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন হলেও আদিবাসীদের অধিকারের চিত্রে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অন্যায়ভাবে আদিবাসীদের জায়গাজমি দখল হয়ে যাচ্ছে, অথচ কষ্ট করে জমি উদ্ধার করলেও সরকারি নথিতে তা নিবন্ধিত হচ্ছে না। এনআইডিতেও আদিবাসী পরিচয় সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
সভায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির মূল বিষয়গুলো এখনো অকার্যকর। তিনি অবিলম্বে চুক্তি বাস্তবায়নে একটি সুনির্দিষ্ট পথরেখা নির্ধারণের জোর দাবি জানান।
"জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বিশ্বজুড়ে সুনাম অর্জনকারী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পার্বত্য অঞ্চলেও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। পার্বত্য এলাকায় স্থায়ী শান্তি অর্জন ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনীকে সরাসরি এই শান্তির প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা জরুরি। পাশাপাশি অকার্যকর ভূমি কমিশনকে দ্রুত সক্রিয় করে আদিবাসীদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খুশী কবির, ইফতেখারুজ্জামান, সারা হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দেশে ৫০টির বেশি জাতিসত্তার বসবাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!