📌 নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাসের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী। রাজধানীতে আয়োজিত এক সভায় তিনি বলেন, এই ঘাসের শিকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখে
পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি দেশে নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে বিন্না ঘাসের ব্যবহার বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে, ফলে ক্ষয়রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত পানি ভবনে আয়োজিত ‘বিন্না ঘাস পলিসি ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে বিন্না ঘাস ব্যবহারের নির্দেশ দেন
- 📌 বিন্না ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে মাটিকে শক্তভাবে ধরে রাখে
- 📌 পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রকৃতিনির্ভর সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন
- 📌 বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বিন্না ঘাসের উপকারিতা তুলে ধরেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাসের ব্যবহার বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে পাহাড়ের ক্ষয়রোধ ও ধস প্রতিরোধে বিন্না ঘাস ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে নদীর পাড় ও বাঁধের মাটি রক্ষায় এই ঘাসকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সভা চলাকালীন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে বন্যা, নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ছে। এসব দুর্যোগ মোকাবিলায় কংক্রিটনির্ভর অবকাঠামোর পরিবর্তে প্রকৃতিনির্ভর সমাধান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বিন্না ঘাসের উপকারিতা ও সম্ভাবনা বিষয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিন্না ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে মাটিকে শক্তভাবে ধরে রাখে, ফলে বৃষ্টির পানি ও স্রোতের কারণে মাটির ক্ষয় কমে।
"বিন্না ঘাস একটি কার্যকর, পরিবেশবান্ধব ও স্বল্পব্যয়ী প্রাকৃতিক সমাধান হতে পারে। নদীর তীর, বাঁধের ঢাল, হাওরাঞ্চল এবং ক্ষয়প্রবণ এলাকায় পরিকল্পিতভাবে বিন্না ঘাস রোপণের মাধ্যমে মাটির স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করা সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর পান্থপথ, পানি ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন আজাদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রযোজ্য নয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!