📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: পারকি সৈকত ও টানেল এলাকা হুমকিতে পড়ছে

কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: পারকি সৈকত ও টানেল এলাকা হুমকিতে পড়ছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের পারকি সৈকত সংলগ্ন কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে বালু তোলায় পারকি সৈকত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ এবং ৫০৩ কোটি টাকার কর্ণফুলী টানেল সার্ভিস এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ঢাকার প্রিমিয়ার কোম্পানি নামের প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় নেতাদের সহযোগিতায় কাজ করছে

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পারকি সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এই অবৈধ কাজের কারণে পারকি সৈকত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ এবং ৫০৩ কোটি টাকার বিনিয়োগে নির্মিত কর্ণফুলী টানেল সার্ভিস এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এই কাজের কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পারকি সৈকত সংলগ্ন কর্ণফুলী নদী থেকে ১২ দিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে।
  • 📌 স্থানীয়দের দাবি, বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও উপকূলীয় ভারসাম্য ব্যাহত হচ্ছে।
  • 📌 ৫০৩ কোটি টাকার কর্ণফুলী টানেল সার্ভিস এলাকা এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।
  • 📌 ঢাকার প্রিমিয়ার কোম্পানি নামের প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় নেতাদের সহযোগিতায় নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রের জমি ভরাটের কাজ করছে।
  • 📌 বালু উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত ১০ থেকে ১৫ জন কর্মী এবং সুপারভাইজার মো. সাইফুল ইসলামসহ।
  • 📌 পারকি এলাকায় ঝাউগাছের পাশে স্থাপিত সাইনবোর্ডে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ, এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক এবং চায়না ন্যাশনাল টেকনিক্যাল কর্পোরেশনের নাম রয়েছে।
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, বালু উত্তোলনের দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।

📰 বিস্তারিত

সোমবার দুপুরে সরেজমিনে পারকি সমুদ্রসৈকতের কর্ণফুলী টানেল সার্ভিস এলাকার কাছে সাগরে দুটি বাল্কহেড ও একটি ড্রেজার দেখা যায়। উপকূলে বসানো ছিল দুটি বুস্টার মেশিন। পাইপলাইনের মাধ্যমে বালু নিয়ে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রের জমি ভরাট করা হচ্ছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য, গত ১২ দিন ধরে কর্ণফুলী নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও উপকূলীয় ভারসাম্য ব্যাহত হতে পারে। বর্ষা বা ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পারকি সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু তোলা হচ্ছে। ঝাউবাগানের ভেতর দিয়ে পাইপলাইন বসিয়ে বালু কর্ণফুলী টানেল সার্ভিস এলাকার কাছে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে বাল্কহেডে জমা করে প্রায় এক কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রের জমি ভরাটে ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অভিযোগ, পারকি সৈকতসংলগ্ন নদী থেকে বালু উত্তোলনের কারণে পারকি সৈকত ও কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

পারকি এলাকায় ঝাউগাছের পাশে স্থাপিত একটি হলুদ রঙের সাইনবোর্ডে তিনটি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার নাম এবং লোগো দেখা গেছে। সেগুলো হলো পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি, এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক এবং চায়না ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন। সরেজমিনে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রতিনিধিকে পাওয়া যায়নি।

"আমরা শুধু ভরাট কাজের জন্য নিয়োজিত। প্রকল্পকাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান চুক্তিভিত্তিতে বাল্কহেড, ড্রেজার ও দুটি বুস্টার মেশিন আমাদের কোম্পানি থেকে ভাড়ায় নিয়েছেন। তবে বালু কোথা থেকে নেওয়া হচ্ছে বা অনুমতি আছে কি না, আমরা কিছুই জানি না।" — প্রিমিয়ার কোম্পানির সুপারভাইজার মো. সাইফুল ইসলাম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পারকি সমুদ্রসৈকত, আনোয়ারা উপজেলা, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইফুল ইসলাম (সুপারভাইজার), স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০৩ কোটি টাকা (কর্ণফুলী টানেল সার্ভিস এলাকা), ১২ দিন, ১০-১৫ জন কর্মী, ৮০ হেক্টর (ঝাউগাছ লাগানো এলাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖