📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানবাধিকার কমিশন ও গুম আইনের খসড়া নিয়ে উদ্বেগ: সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ এনসিপির

মানবাধিকার কমিশন ও গুম আইনের খসড়া নিয়ে উদ্বেগ: সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ এনসিপির

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আখতার হোসেন সরকারের মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়াকে ‘উল্টো পথে পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, সরকার আগের অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন খসড়ায় তদন্ত ক্ষমতা সীমিত করেছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন সরকারের মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়াকে ‘উল্টো পথে পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, সরকার মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধের আগের অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন খসড়া আইনে তদন্ত ক্ষমতা সীমিত করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকার মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া সংসদে পাস হলে বাংলাদেশ মানবাধিকার ও গণতন্ত্রে অগ্রগতি হারাবে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন
  • 📌 খসড়া আইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব রয়েছে
  • 📌 গুমের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব এমন বাহিনীর হাতে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ থাকতে পারে
  • 📌 আখতার হোসেন সাধারণ নাগরিকদের মতামত নিয়ে আইন দুটি নতুন করে প্রণয়নের আহ্বান জানান
  • 📌 আলোকচিত্রী শহীদুল আলম বলেন, সরকারকে জনগণের কথা ভুলে গেলে চলবে না

📰 বিস্তারিত

জাতীয় নাগরিক পার্টির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ খসড়া আইন, ২০২৬: আইনি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন আখতার হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত খসড়া আইন সংসদে পাস হলে বাংলাদেশ মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী অগ্রগতি থেকে পিছিয়ে পড়বে।

আখতার হোসেন বলেন, সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় আইন অনুমোদিত হওয়াই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। সংসদে আইন পাস হলেও তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তাই আইন দুটি সংসদে উপস্থাপনের আগে আবারও পর্যালোচনা করা উচিত। অতীতের গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগের সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও অনেক ক্ষেত্রে দায়মুক্তির সংস্কৃতি ছিল।

আলোকচিত্রী, লেখক ও মানবাধিকার কর্মী শহীদুল আলম বলেন, স্বৈরাচার চলে যাওয়ার পর একটি ভিন্ন বাংলাদেশ পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় গেলে জনগণের কথা যেন ভুলে না যান, তা নিশ্চিত করা জনগণের দায়িত্ব। নতুন সরকার অতীতের পথ থেকে সরে এসেছে—এটি শুধু কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।

"সরকার আরও ভালো আইন আনার কথা বলে মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধের আগের অধ্যাদেশগুলো বাতিল করেছে। কিন্তু বর্তমান খসড়া আইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কমিশনের স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। গুমের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্বও এমন বাহিনীর হাতে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ থাকতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আখতার হোসেন, শহীদুল আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: খসড়া আইনে তদন্ত ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖