📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী আশিক উল আকবর পুনরায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, গুমের সময় তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে এসেছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী হিসেবে পুনরায় জবানবন্দি দিয়েছেন আশিক উল আকবর। রোববার আদালতে তিনি তাঁর চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করেন। চশমাসহ তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি এখন ৬/৬০, যা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি বলে জানান তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পুনরায় জবানবন্দি দিয়েছেন গুমের শিকার আশিক উল আকবর
- 📌 তাঁর দাবি, গুমের সময় তাঁর ডান চোখে নির্যাতন করা হয়েছিল, যার ফলে দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারিয়ে গেছে
- 📌 চশমাসহ ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি এখন ৬/৬০, যা স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তির তুলনায় অনেক কম
- 📌 আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. শাহীনুর ইসলাম তাঁকে জেরা করেন
- 📌 মামলায় ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
আওয়ামী লীগের শাসনামলে র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী হিসেবে পুনরায় জবানবন্দি দিয়েছেন আশিক উল আকবর। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ রোববার তিনি তাঁর চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করেন। চশমাসহ তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি এখন ৬/৬০, যা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি বলে জানান তিনি। এর আগে ১৩ আগস্ট তাঁর দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি গুমের সময় তাঁর ডান চোখে নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছিলেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. শাহীনুর ইসলাম তাঁকে জেরা করেন। জেরার জবাবে আশিক বলেন, তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদস্য ছিলেন বলে কোনো কাগজপত্র তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দিতে পারেননি। কারণ, গুম হওয়ার পর তাঁর পরিবারের সদস্যরা তা নষ্ট করে ফেলেছেন। তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শিবিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছ থেকে কোনো প্রত্যয়নও নেননি।
আইনজীবী শাহীনুর প্রশ্ন করেন, ‘আপনি জেএমবি নামের জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন?’ জবাবে আশিক বলেন, ‘ইহা সত্য নহে।’ তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো থেকে বাঁচার জন্য তিনি কোনো মিথ্যা গল্প সাজাননি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশিক উল আকবর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন আসামি, ১০ জন কারাগারে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!