📌 বর্তমান সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাকে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন
বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রত্যেক মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাকে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ৬ মাস বা ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাকে সরকারের সর্বাধিক সাফল্য হিসেবে দাবি সালেহ শিবলীর
- 📌 সরকার তোষামোদ ও বন্দনার রাজনীতি থেকে সরে এসে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি সূচনা করেছে
- 📌 নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি দফা ধরে ধরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে দাবি
- 📌 সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রমের পর্যালোচনা সভার আয়োজন
- 📌 রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনাকে সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবে উল্লেখ
📰 বিস্তারিত
সালেহ শিবলী বলেন, সরকার তোষামোদ ও বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করেছে। অতীতে মঞ্চে উঠে দীর্ঘ সময় বন্দনা করার যে প্রথা ছিল, তা থেকে সরকার সরে এসেছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক যেসব বিষয় দীর্ঘদিন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো থেকেও বেরিয়ে আসা গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিষয়ে সালেহ শিবলী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি দফা ধরে ধরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অতীতে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি এভাবে ধরে ধরে বাস্তবায়নের নজির দেখা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনাকে সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। অতীতে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনার দায় সরাসরি সরকারের না থাকলেও জবাবদিহির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে শোকাহত পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
"বাংলাদেশ একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, যেখানে রাষ্ট্রের প্রতি যেমন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি নাগরিকের প্রতিও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা সমান। রাষ্ট্র তার সাধ্য অনুযায়ী প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়াবে। এই রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী, তাঁর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ চেতনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।"
সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রমের হিসাব তুলে ধরে সালেহ শিবলী বলেন, বিশ্বজুড়ে সাধারণত সরকারগুলোর প্রথম ১০০ দিনকে একটি হানিমুন পিরিয়ড হিসেবে ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়, যা প্রথাগতভাবে চলে আসছে। এটি সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত কোনো বিষয় ছিল না। তবে মূলত কাজের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও প্রাথমিক ফল পেতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগে। জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতেই এই ১৮০ দিনের পর্যালোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেজগাঁও, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালেহ শিবলী (প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস, ১৮০ দিন, ১০০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!