📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরে নির্মাণাধীন ভবনে পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা, তদন্তে নামছে পুলিশ

রংপুরে নির্মাণাধীন ভবনে পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা, তদন্তে নামছে পুলিশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের নির্মাণাধীন ভবনে পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকারীরা ঘরের ভেতরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে হত্যা করেছে। তদন্ত চলছে

রংপুর নগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনে পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের। গত শনিবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে চারটি লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ চারটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় গণপতি চক্রবর্তীর পরিবার থাকতেন
  • 📌 চার সদস্যের মধ্যে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী রয়েছেন
  • 📌 লাশ উদ্ধার করা হয় রাত সাড়ে তিনটার দিকে, লাশ পচে দুর্গন্ধ ছড়িয়েছিল
  • 📌 পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকারীরা ঘরের ভেতরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে হত্যা করেছে

📰 বিস্তারিত

রংপুর নগরের জাহাজ কোম্পানি মোড় থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্ব দিকে কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনে এই ঘটনা ঘটে। নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় গণপতি চক্রবর্তীর পরিবার থাকতেন। ভবনের প্রথম ও তৃতীয় তলার কাজ এখনো চলছে। দ্বিতীয় তলার একটি শোবার ঘরের খাটের পাশে আয়ুশের লাশ পাওয়া যায়। তার গলায় কাপড় প্যাঁচানো ছিল। তৃতীয় তলায় ওঠার সিঁড়িতে পাওয়া যায় প্রীতিলতা ও আগামীর লাশ। তাঁদের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল। আর তৃতীয় তলার ছাদে পাওয়া যায় গণপতি চক্রবর্তীর লাশ। তাঁর গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল।

রংপুর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী জানান, চারজনেরই মুখ কিছুটা ঝলসানো ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মুখে রাসায়নিক জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। গণপতি চক্রবর্তী ছিলেন রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং দুই সন্তান আগামী ও আয়ুশ। আগামী ছিলেন রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। আয়ুশ ছিল রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পূজা চক্রবর্তী নামে নিহত প্রীতিলতার ছোট বোন জানান, তিনি সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২৬ মিনিটে বড় বোন প্রীতিলতা ও ভাগনি আগামীর সঙ্গে ৯ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড কথা বলেন। এরপর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বোনের মুঠোফোন থেকে আবার কল এসেছিল। তবে তিনি সেই কল ধরতে পারেননি। এরপর শুক্রবার বোনের সঙ্গে তাঁর কথা হয়নি। তিনি রাত পৌনে নয়টার দিকে নগরের ফায়ার সার্ভিস এলাকার বাসা থেকে বোনের বাসায় যান। গিয়ে দেখেন, মূল গেটে তালা। কলিং বেল চাপলেও কেউ সাড়া দিচ্ছিলেন না। পরে পাশের বাসা দিয়ে গিয়ে জানালার কাছে পৌঁছান। ভেতর থেকে আটকানো থাই গ্লাসের লক ভেঙে জানালা দিয়ে ভেতরে আলো ফেলেন। তখন একটি ঘরের জিনিসপত্র তছনছ অবস্থায় দেখতে পান।

"কে মারল আমার দিদি, দাদা ও আদরের দুই সন্তানকে? তাঁরা তো কোনো অপরাধ করেনি। তাঁদের কোনো শত্রু নেই। এটা কোন দেশ? কোথায় বাস করছি আমরা? বাড়িতেও নিরাপত্তা নেই।"

পুলিশ জানায়, ভবনের তিনটি কক্ষের আলমারি ও ড্রয়ার খোলা ছিল। ঘরের কাপড়চোপড়, খেলনা ও অন্যান্য জিনিসপত্র খাট ও মেঝেতে ছড়ানো ছিল। তবে কোনো আলমারি বা ড্রয়ার ভাঙা হয়নি। চাবি দিয়ে সেগুলো খোলা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘরের ভেতরে বেশ কিছু চাবির গোছাও পাওয়া গেছে। ঘরে থাকা টেলিভিশন, ল্যাপটপ ও মুঠোফোন দুর্বৃত্তরা নেয়নি। আলমারি ও ড্রয়ারে টাকা বা গয়না ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর নগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা চক্রবর্তী, আগামী চক্রবর্তী, আয়ুশ চক্রবর্তী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, ২ কিলোমিটার পূর্বে ঘটনা স্থান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖