📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চেক প্রতারণায় রাজশাহীর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের ছয় মাস কারাদণ্ড ও দুই কোটি টাকা জরিমানা

চেক প্রতারণায় রাজশাহীর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের ছয় মাস কারাদণ্ড ও দুই কোটি টাকা জরিমানা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চেক প্রতারণার মামলায় রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই কোটি টাকা পরিশোধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। প্রায় আড়াই বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা করা হয়

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতাকে চেক প্রতারণার মামলায় ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই কোটি টাকা পরিশোধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী মমিনুল ইসলাম রায়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতাকে চেক প্রতারণার মামলায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 একই সঙ্গে দুই কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের পক্ষ থেকে
  • 📌 প্রায় আড়াই বছর বিচারিক কার্যক্রম চলার পর সোমবার রায় ঘোষণা করা হয়
  • 📌 মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অভিযুক্ত আদালতে হাজির হননি এবং পরোয়ানা জারি থাকা সত্ত্বেও অনুপস্থিত ছিলেন

📰 বিস্তারিত

২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি নিকটাত্মীয় মো. নুরুজ্জামানের কাছ থেকে দুই কোটি টাকা ধার নেন ফাতেমা খাতুন লতা। টাকা পরিশোধের নিশ্চয়তা হিসেবে তিনি একটি চেক প্রদান করেন। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা পরিশোধ না হওয়ায় মো. নুরুজ্জামান আদালতে মামলা দায়ের করেন। প্রায় আড়াই বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ সোমবার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অভিযুক্তকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে ফাতেমা খাতুন লতা আদালতে হাজির হননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি থাকা সত্ত্বেও তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরপর ছয়টি ধার্য তারিখে হাজির না হওয়ায় আদালত তাঁর বিরুদ্ধে এই সাজা প্রদান করেন।

এদিকে ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ১০ মার্চ নিলুফা ইয়াসমিনের দায়ের করা মামলায় রাজশাহী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তিনি ১০ দিন হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত হন।

"তাঁরা সবাই একসঙ্গে দুপুরের খাবার খেতে ও নামাজে গেছেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ্ উদ্দিন মাহমুদকে ডেকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সব খালি, সবগুলোকে সাসপেন্ড করেন।’"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী জেলা ও বাঘা উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা খাতুন লতা (সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান), বিচারক মো. মামুনুর রশিদ, আইনজীবী মমিনুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই কোটি টাকা, ছয় মাস কারাদণ্ড, ১ জানুয়ারি ২০২৪, ১০ মার্চ ২০২৫, ১০ দিন হাজতবাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖