📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বৃদ্ধদের অধিকার রক্ষায় পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের প্রয়োগ জরুরি: বিশেষজ্ঞদের মত

বৃদ্ধদের অধিকার রক্ষায় পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের প্রয়োগ জরুরি: বিশেষজ্ঞদের মত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে প্রতি ছয়জন প্রবীণের একজন নির্যাতনের শিকার। বাংলাদেশেও প্রবীণদের প্রতি অবহেলা ও নির্যাতনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩-এর কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে বৃদ্ধদের অধিকার সুরক্ষার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ছয়জন প্রবীণের মধ্যে অন্তত একজন বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হন। এছাড়া ল্যানসেট ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ জরিপে দেখা যায়, ৬০ বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে মানসিক নির্যাতনের হার ১১ শতাংশ, অর্থনৈতিক নিষ্পেষণের হার ৬ শতাংশ, অবহেলার হার ৪ শতাংশ এবং শারীরিক নির্যাতনের হার ২ শতাংশ। বাংলাদেশে প্রবীণদের প্রতি অবহেলা ও নির্যাতনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো গবেষণা না থাকলেও সামাজিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এ ধরনের ঘটনা কম নয় বলে ধারণা করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বব্যাপী প্রতি ছয়জন প্রবীণের একজন নির্যাতনের শিকার
  • 📌 বাংলাদেশে প্রবীণদের প্রতি অবহেলা ও নির্যাতনের প্রবণতা বৃদ্ধি
  • 📌 পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩-এর অধীনে অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে জটিলতা
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবীণদের অভিযোগ জমা হলেও আইনি প্রতিকার সীমিত
  • 📌 আইনটির অধীনে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রবীণদের প্রতি নির্যাতনের হার বিশ্বব্যাপী উদ্বেগজনক। বাংলাদেশেও যৌথ পরিবারের ভাঙন এবং আধুনিক জীবনযাত্রার চাপে প্রবীণরা অবহেলা ও অযত্নের শিকার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে প্রবীণদের অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র প্রণয়ন করেছে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩। তবে এই আইনের অধীনে অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে।

আইনের ৭(২) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো আদালত সংশ্লিষ্ট সন্তানের পিতা-মাতার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত কোনো অভিযোগ আমলে গ্রহণ করবে না। ফলে যেসব প্রবীণ নিজেদের অসহায়ত্ব ও সন্তানের অবহেলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাঁদের পক্ষে সরাসরি আইনি প্রতিকার চাওয়া অত্যন্ত দুরূহ। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে কোনো প্রতিকার পাওয়ার সুযোগও নেই। ফলে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা আইনানুগভাবে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন না।

জনগণের সমস্যা সমাধানে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু যেমন দ্রব্যমূল্য মনিটরিং, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি ইত্যাদির তদারকি করেন। অনেক প্রবীণ নিজেদের অসহায়ত্ব ও সন্তানের অবহেলার অভিযোগ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন। তবে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের অধীনে স্থানীয় প্রশাসনের কিছু করার থাকে না।

"পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩-এর অধীনে স্থানীয় প্রশাসনের কিছু করার থাকে না। এ ক্ষেত্রে পিতা-মাতার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান, শুনানি গ্রহণ ও আদেশ প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে বৃদ্ধ পিতা-মাতার অধিকার আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে সুরক্ষিত হতো।"

আইনের ৫(১) ধারায় সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং প্রযোজ্য অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, আইনটিকে পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে প্রয়োগযোগ্য করে তুললে প্রবীণদের অধিকার রক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবীণ, পিতা-মাতা, সন্তান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬, ১১, ৬, ৪, ২

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖