📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৩:৩৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাগেরহাটে গুম হওয়া ব্যক্তির লাশ উদ্ধারে সিমেন্টের বস্তা ও পেট কাটার বর্ণনা দিলেন সাবেক ওসি

বাগেরহাটে গুম হওয়া ব্যক্তির লাশ উদ্ধারে সিমেন্টের বস্তা ও পেট কাটার বর্ণনা দিলেন সাবেক ওসি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাটের শরণখোলা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন হাওলাদার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নজরুল ইসলামের লাশ উদ্ধারের ঘটনা বর্ণনা করেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, লাশের শরীরে সিমেন্টের বস্তা বাঁধা ছিল এবং পেট কাটা ছিল

বাগেরহাটের শরণখোলা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন হাওলাদার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ তাঁর জবানবন্দিতে বিডিআর হাসপাতালের সাবেক মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট নজরুল ইসলামের লাশ উদ্ধারের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, লাশটি গলিত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং শরীরে সিমেন্টের বস্তা বাঁধা ছিল। এছাড়া লাশের হাত–পা বাঁধা ছিল এবং পেট কাটা ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন শরণখোলা থানার সাবেক ওসি নিজাম উদ্দিন হাওলাদার
  • 📌 নজরুল ইসলামের লাশ পাওয়া যায় বলেশ্বর নদের পশ্চিম তীরে, শরীরে সিমেন্টের বস্তা বাঁধা ছিল
  • 📌 লাশের হাত–পা বাঁধা ছিল এবং পেট কাটা ছিল বলে উল্লেখ করেন নিজাম উদ্দিন
  • 📌 ২০১০ সালের ১৭ মে লাশ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে
  • 📌 লাশের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তাব দেন নিজাম উদ্দিন

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাবন্দি মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিজাম উদ্দিন হাওলাদার তাঁর জবানবন্দিতে নজরুল ইসলামের লাশ উদ্ধারের ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০১০ সালের ১৭ মে শরণখোলা থানার চৌকিদার তাঁকে ফোন করে বলেশ্বর নদের পশ্চিম তীরে একটি অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ পড়ার কথা জানান। লাশটির শরীরে সিমেন্টের বস্তা বাঁধা ছিল এবং গলিত অবস্থায় ছিল।

নিজাম উদ্দিন বলেন, লাশের হাত–পা বাঁধা ছিল এবং পেট কাটা ছিল। মাথা কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। পরে শরণখোলা থানার এসআই ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। চৌকিদার বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করলে ইকবাল নিয়মিত হত্যা মামলা করেন এবং তদন্তভার গ্রহণ করেন।

তিনি আরও জানান, লাশ উদ্ধারের পর থানায় ফিরে তিনি লাশটি দেখেন। পরদিন লাশ ময়নাতদন্তের পর অজ্ঞাত বিধায় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়। লাশ পাওয়ার চার থেকে পাঁচ দিন পর খুলনার বিডিআর সেক্টর থেকে একজন কর্নেল ফোন করে লাশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান। সেই কর্নেল জানান, একজন বিডিআর সদস্য থানায় আসবেন এবং তাঁকে সহায়তা করতে বলেন।

"লাশটি গলিত ছিল। তাঁর শরীরে সিমেন্টের বস্তা বাঁধা ছিল। হাত–পা বাঁধা থাকার পাশাপাশি তাঁর পেট কাটা ছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাগেরহাটের শরণখোলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিজাম উদ্দিন হাওলাদার, নজরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ মে ২০১০

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖