📌 কারাগারে থাকা অবস্থায় সাবেক মেজর সাদিকুল হক রাজধানীর ভাটারায় একটি প্রাইভেট কার পোড়ানোয় জড়িত ছিলেন বলে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা দাবি করেন, কারাগারে যাওয়ার আগেই তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত দল ও সংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন করেছিলেন।
কারাগারে থাকা অবস্থায় সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হকের বিরুদ্ধে রাজধানীর ভাটারায় একটি প্রাইভেট কার পোড়ানোর ঘটনায় সম্পৃক্ততার বিষয়ে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, কারাগারে যাওয়ার আগেই তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের প্রশিক্ষণ, নির্দেশনা ও অর্থায়ন করেছিলেন। পরবর্তীকালে তাঁর সেই মদদেই গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কারাগারে থাকা অবস্থায় সাদিকুল হকের বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোয় সম্পৃক্ততার অভিযোগে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ
- 📌 তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, কারাগারে যাওয়ার আগেই তিনি নিষিদ্ধ দল ও সংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন করেছিলেন
- 📌 ২০২৫ সালের ৩ থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত বসুন্ধরা এলাকায় গোপন সভা ও কর্মশালার আয়োজন করেছিলেন সাদিকুল
- 📌 ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর ভাটারায় একটি প্রাইভেট কারে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে
- 📌 সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর সাদিকুলকে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর ভাটারায় একটি প্রাইভেট কার পোড়ানোর ঘটনায় কারাগারে থাকা অবস্থায় সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হকের সম্পৃক্ততার বিষয়ে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. চাঁদ আলী আদালতে জানান, সাদিকুল কারাগারে যাওয়ার আগেই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের প্রশিক্ষণ, নির্দেশনা ও অর্থায়ন করেছিলেন। তাঁর সেই মদদেই পরবর্তীকালে গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. চাঁদ আলী লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই কামাল হোসেন জানান, আদালত পুলিশের লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করেছেন এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে আদেশ দেবেন।
পুলিশের লিখিত ব্যাখ্যায় আরও দাবি করা হয়, সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় ২০২৫ সালের ৩ থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশের কেবি কনভেনশন হলে গোপন সভা করেন সাদিকুল। সেখানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং দল দুটির কার্যক্রম গতিশীল করতে ওই সভার আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।
এ ঘটনায় গত বছরের জুলাই মাসে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়, যাতে তদন্তে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় সাদিকুলকে আসামি করা হয়। ব্যাখ্যায় আরও উল্লেখ করা হয়, সাদিকুল ‘প্রধান প্রশিক্ষক’ ও ‘কানেক্টর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। রূপগঞ্জের সি-সেল রিসোর্ট, কাঁটাবনের একটি রেস্তোরাঁ, মিরপুর ডিওএইচএস, উত্তরা ও প্রিয়াংকা সিটিতে নিজ ফ্ল্যাটে স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনসহ একাধিক গোপন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেন তিনি।
সেখান থেকেই পলাতক নেতা-কর্মীরা শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ নেন। পরবর্তীকালে সাদিকুলের দেওয়া পূর্বপরিকল্পনা, অর্থায়ন ও নির্দেশনার অংশ হিসেবে মামলার ঘটনার দিন বাদীর গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
"ঘটনার সময় আসামি কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থেকে তিনি কীভাবে গাড়ি পোড়ান?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভাটারা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদিকুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ দিন (৩ থেকে ৮ জুলাই), ১ বার (১১ নভেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!