📌 গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ না নিয়ে বিরোধী দলীয় সদস্যরা সাংসদীয় কমিটির বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেছেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ না নিয়ে বিরোধী দলীয় সদস্যরা ওয়াকআউট করেছেন। আজ রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে তাঁরা বিরত থাকেন। এর আগে সকালে আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটিতেও একই কারণে বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা থেকে বিরত থাকেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
- 📌 গত বৃহস্পতিবার সংসদে উত্থাপিত হয় দুই বিল
- 📌 স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটিতে পাঠানো হয় বিল দুটি পর্যালোচনার জন্য
- 📌 বিরোধী দলের সদস্যরা দাবি করেন, সরকার অংশীজনদের মতামত উপেক্ষা করেছে
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারি সদস্যরা
📰 বিস্তারিত
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ না নিয়ে বিরোধী দলীয় সদস্যরা সাংসদীয় কমিটির বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেছেন। আজ রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে যোগ দিয়ে আলোচনা শুরুর আগেই বিরোধী দলের দুই সদস্য জামায়াতে ইসলামীর নূরুল ইসলাম ও আবদুল বাতেন ওয়াকআউট করেন।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ওয়াকআউট করার আগে তাঁরা বলেন, জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপনের বিরোধিতা করে তাঁরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় কমিটির বৈঠকেও তাঁরা অংশ নেবেন না বলে জানান। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আবদুল বাতেন ওয়াকআউট করেছেন।
কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বৈঠকে বলেন, কমিটির সদস্য হিসেবে সংশোধনী বা মতামত উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। তবে বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করা সাংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না। বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয় যে, গত ছয় মাসে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। একই সঙ্গে মব তৈরির চেষ্টা হলেও রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি বলে জানানো হয়।
বৈঠকে আলোচিত হয় মিরাজ শেখের অপহরণের দায় সরকারের ওপর চাপানোর প্রচেষ্টা। এ ধরনের দোষারোপ পরিহার করার আহ্বান জানানো হয়। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।
‘কমিটির সদস্য হিসেবে কোনো সংশোধনী বা মতামত থাকলে তা সভায় উপস্থাপন করা, পরামর্শ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিরোধিতা করার সুযোগ রয়েছে। এটিই কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব। তবে সভা থেকে ওয়াকআউট করা সাংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।’ — জয়নুল আবেদীন, সভাপতি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 বিরোধী দলীয় সদস্য: নূরুল ইসলাম, আবদুল বাতেন
- 👥 কমিটির সভাপতি: জয়নুল আবেদীন
- 👥 উপস্থিত সরকারি সদস্য: সালাহউদ্দিন আহমদ, মীর শাহে আলম, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ, শিরীন সুলতানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!