📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরের অসমাপ্ত সেতুতে জনদুর্ভোগ: প্রশাসনের উদাসীনতায় দিন দিন বাড়ছে বিপদ

ফরিদপুরের অসমাপ্ত সেতুতে জনদুর্ভোগ: প্রশাসনের উদাসীনতায় দিন দিন বাড়ছে বিপদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুর উপজেলার দেওভোগ-দহপাড়া গ্রামে এক কোটি টাকার সেতু নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছেন। প্রকল্পের অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের উদাসীনতায় জনদুর্ভোগ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার দেওভোগ-দহপাড়া গ্রামে নির্মিত এক কোটি টাকার সেতুটি এখন জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয় ব্যক্তিদের সেতুতে উঠতে হচ্ছে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে। চলনবিল অঞ্চলের ১০টি গ্রামের যোগাযোগ সহজ করতে নির্মিত এই সেতুটি এখন নিজেই এক চরম বিপদের কারণ হয়ে উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুর উপজেলার দেওভোগ-দহপাড়া গ্রামে এক কোটি টাকার সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়নি
  • 📌 স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো দিয়ে সেতুতে উঠছেন, যার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে
  • 📌 প্রকল্পের মেয়াদ বারবার বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা প্রকাশ
  • 📌 স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতায় জনভোগান্তি দূর করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে
  • 📌 উপজেলা প্রশাসন ঠিকাদারের চূড়ান্ত বিল স্থগিত রেখেছে, তবে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে কালোতালিকাভুক্তির দাবি স্থানীয়দের

📰 বিস্তারিত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়ন প্রকল্পের অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখা যাচ্ছে। কোথাও বছরের পর বছর ধরে অর্ধসমাপ্ত সেতু পড়ে আছে, কোথাও সেতু আছে কিন্তু সংযোগ সড়ক নেই। পাবনার ফরিদপুর উপজেলার দেওভোগ-দহপাড়া গ্রামেও এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে। সেখানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এক কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ফলে স্থানীয় ব্যক্তিদের সেতুতে উঠতে হচ্ছে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে।

চলনবিল অঞ্চলের ১০টি গ্রামের যোগাযোগ সহজ করতে নির্মিত এই সেতুটি এখন নিজেই এক চরম বিপদের কারণ হয়ে উঠেছে। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারিত সময়ের পর দফায় দফায় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি। বালুসংকটের অজুহাত তুলে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতায় জনভোগান্তি দূর করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন শেষ পর্যন্ত ঠিকাদারের চূড়ান্ত বিল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে স্থানীয়রা মনে করেন, কেবল বিল আটকে রেখে দায় সারলে চলবে না। বারবার সময়সীমা পার করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী এমন ঠিকাদারদের কালোতালিকাভুক্ত করা উচিত। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে।

"যে সেতু তৈরি করা হয়েছিল জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করে চলনবিলের ১০টি গ্রামের যোগাযোগ সহজ করতে, সংযোগ সড়কের অভাবে তা এখন নিজেই এক চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারিত সময়ের পর দফায় দফায় বাড়িয়েও কাজ শেষ না করা এবং বালুসংকটের অজুহাত তুলে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা ঠিকাদারি চক্রের এক পুরোনো কৌশল। তার চেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, তদারককারী প্রশাসনের ঢিলেঢালা ভাব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দেওভোগ-দহপাড়া, ফরিদপুর উপজেলা, পাবন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় ব্যক্তিরা, উপজেলা প্রশাসন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি টাকা, ১০টি গ্রাম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖