📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদগঞ্জে হত্যা মামলায় সুজন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, খালাস অন্য চার আসামি

ফরিদগঞ্জে হত্যা মামলায় সুজন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, খালাস অন্য চার আসামি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে গৃহবধূ জাহেদা আক্তার মিশু হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সুজন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমঘুয়া গ্রামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় প্রধান আসামি মো. সুজন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই ভোর ৬টায় চরমঘুয়া গ্রামে
  • 📌 প্রধান আসামি সুজন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড
  • 📌 অভিযুক্ত সুজন খান ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমঘুয়া গ্রামের মসজিদসংলগ্ন খান বাড়ির আবুল বাশার খানের ছেলে
  • 📌 মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর চার আসামিকে আদালত খালাস দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

২০১৭ সালে জাহেদা আক্তার মিশুর সঙ্গে পাশের সন্তোষপুর গ্রামের সোহেল ব্যাপারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর সোহেল কাতার চলে গেলে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিশুর বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে মিশুর মা ছালেহা বেগম মেয়েকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে এতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ক্ষোভ কমেনি। অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা মিশুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

২০১৯ সালের ২৯ জুলাই ভোর ৬টার দিকে চরমঘুয়া গ্রামে মিশুর বাবার বাড়িতে যান সুজন খান। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিশুর মাথা ও কানে আঘাত করেন তিনি। মিশুর মা ছালেহা বেগম বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মিশুকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ওই দিনই মিশুর মা ছালেহা বেগম বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় সুজন খানকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই সুজন খানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদগঞ্জ থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) উনুমং মায়মা তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ৩০ ডিসেম্বর আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

"দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত মামলায় ২০ জনের সাক্ষ্য নেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামির অপরাধ স্বীকারের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত সুজন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমঘুয়া গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুজন খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন সাক্ষী, ৩১ বছর বয়সী আসামি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖