📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফারাক্কা চুক্তি পুনর্নবায়নে বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

ফারাক্কা চুক্তি পুনর্নবায়নে বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি পুনর্নবায়নে দেশের স্বার্থ, পানি অধিকার ও পরিবেশ রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি পুনর্নবায়নে বাংলাদেশের স্বার্থ, পানির অধিকার, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে চুক্তিটি পুনর্নবায়ন করা হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফারাক্কা চুক্তি পুনর্নবায়নে দেশের স্বার্থ, পানি অধিকার ও পরিবেশ রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী
  • 📌 ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি থাকলেও ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে তা বাদ দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী
  • 📌 ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে ৫৪টি সীমান্ত নদী, যার অধিকাংশেরই নাব্যতা নেই
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা অনুযায়ী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল খননের উদ্যোগ
  • 📌 গঙ্গা অববাহিকার ৭০ শতাংশ ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত
  • 📌 নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের পানির হিস্যা প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে বলে পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে

📰 বিস্তারিত

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিআইএলআইএ) আয়োজিত ‘গঙ্গা পানি চুক্তি: পুনঃ নবায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি নিয়ে ধারা ছিল, কিন্তু ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে সেই ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে।’

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের ৫৪টি সীমান্ত নদী রয়েছে। এসব নদীর অধিকাংশেরই নাব্যতা নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা রয়েছে।’

সেমিনারে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ‘গঙ্গা অববাহিকার প্রায় ৭০ শতাংশ ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশ কাঠামোগতভাবে একটি নিম্ন-অববাহিকা দেশ। উজানে ভারতের ব্যাপক সেচ প্রকল্প সম্প্রসারণের ফলে শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহে চরম তারতম্য দেখা দেয়।’

‘নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের হিস্যা প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টির ধারার তুলনায় ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে ন্যূনতম পানিপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা না থাকা একটি মৌলিক কাঠামোগত দুর্বলতা।’

বিআইএলআইএ’র চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদও বক্তব্য রাখেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (পানিসম্পদমন্ত্রী), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী), ড. আসিফ নজরুল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪টি (সীমান্ত নদী), ২০ হাজার কিলোমিটার (খনন পরিকল্পনা), ৭০ শতাংশ (গঙ্গা অববাহিকা), ৬ দশমিক ৫ শতাংশ (পানির হিস্যা হ্রাস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖