📌 কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হাসান দুলালকে গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন হোসেনপুর উপজেলার এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হাসান দুলালকে গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন হোসেনপুর উপজেলার পূর্ব চরপুমদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান। শুক্রবার দুপুরে প্রকাশিত তাঁর ফেসবুক পোস্টে তিনি দুলালের দ্রুত মুক্তির দাবি জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইটনা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হাসান দুলালকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ
- 📌 গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শুক্রবার দুপুরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন হোসেনপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান
- 📌 সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে
- 📌 মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের তিন সহকারী শিক্ষিকার যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে
- 📌 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, সরকারি কর্মচারী হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া অনুমোদিত নয়
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান দুলালকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন শুক্রবার দুপুরে হোসেনপুর উপজেলার পূর্ব চরপুমদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দুলালের গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে লেখেন, ‘দুলাল চেয়ারম্যান একজন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। তাঁর গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানাই—দ্রুত মুক্তি কামনা করি।’
তবে সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলীয় প্রভাব কাজে লাগিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি করিয়ে দেওয়ার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একসময় ইটনা উপজেলায় চাকরি করলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে হোসেনপুর উপজেলায় বদলি হন বলেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া ২০২০ সালের মার্চে মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের তিন সহকারী শিক্ষিকা যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। অভিযোগকারী শিক্ষিকাদের দাবি, পরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত কার্যক্রম থামিয়ে দেওয়া হয়।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘তিনি একজন ভালো মানুষ, তাই তাকে নিয়ে পোস্ট করেছি। তাকে নিয়ে আরও অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পোস্ট দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুন রশিদ বলেন, ‘সরকারি কর্মচারী হিসেবে কেউ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারেন না। কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে তাঁর মুক্তি দাবি করার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
‘তিনি একজন ভালো মানুষ, তাই তাকে নিয়ে পোস্ট করেছি। তাকে নিয়ে আরও অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পোস্ট দিয়েছেন।’ — মো. মুজিবুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইটনা উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুল হাসান দুলাল, মো. মুজিবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন শিক্ষিকা, ২০২০ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!