📌 নির্বাচন কমিশন আগামী সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণা করে বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সূচনা করতে চায়। তবে নির্বাচনের উপযুক্ত সময় নির্ধারণে বন্যা, দুর্গাপূজা ও পরীক্ষার সময় বিবেচনা করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল ঘোষণা করে বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সূচনা করতে চায়। প্রথম ধাপে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে নির্বাচন উপযোগী পরিষদগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সূচনা হিসেবে ইউপি ভোট শুরু করতে চায় ইসি
- 📌 আগামী সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা সিইসির
- 📌 নির্বাচন উপযোগী ৪ হাজার ৫০০ ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে প্রথম ধাপে ভোট হবে
- 📌 স্থানীয় সরকারের অধীনে রয়েছে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা ও ৫০০টি উপজেলা
- 📌 ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনসহ ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে সতর্কতা প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন জানান, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল ঘোষণা করে বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সূচনা করতে চায় নির্বাচন কমিশন। প্রথম ধাপে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে নির্বাচন উপযোগী পরিষদগুলোতে ভোট গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, ‘শিডিউল যদি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে দিই, ইলেকশনটা আগামী বছরে চলে যাবে। আগামী বছর ইলেকশন করলে আমাকে এ বছর শিডিউল দিতে হবে।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অধীনে রয়েছে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা ও ৫০০টি উপজেলা। সিইসি আরও জানান, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসির সাক্ষাতে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার বিষয়ে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আইন সংশোধন করে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।
নভেম্বরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদের অধিকাংশের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সিইসি বলেন, এসব নির্বাচন এ বছরের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘এটা নিশ্চিত যে এ বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে হবে।’ এ বছরের মধ্যে নির্বাচন শুরু করতে গেলে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনও ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে বলে জানান তিনি।
নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে ইসির নিয়ন্ত্রণের বাইরের বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, বন্যা, দুর্গাপূজা, পরীক্ষা ও ধর্মীয় উৎসবের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যস্ততা বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, ‘বর্ষাকাল, ঈদ-পূজা, পরীক্ষা—এসব বিবেচনা না করলে নানা ধরনের সমালোচনার মধ্যে পড়তে হবে।’ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরীক্ষা দ্রুত শেষ করার অনুরোধ জানাবেন বলেও জানান তিনি।
‘আমরা আগামী মাসে সেপ্টেম্বরে তফসিল দিতে চাই। কারণ, সেখানে আইনি কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে (মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে)। নভেম্বরে পরীক্ষা শেষ করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলতে হবে। বছরের শেষে ইলেকশন করতে হলে আমাকে শিডিউলটা দিতে হবে আগামী মাসে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার ৫০০ (ইউপি), ১৩ (সিটি করপোরেশন), ৩৩০ (পৌরসভা), ৫০০ (উপজেলা), ৯০ (দিন), ১৮০ (দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!