📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দীপু মনি নিজের জামিন আবেদন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন। কারাগারে থাকায় স্বামীর শেষ সময়ে পাশে না থাকার কষ্ট তুলে ধরে তিনি বলেন, যার জন্য মুক্তি চেয়েছিলেন, তিনি আর নেই
ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বৃহস্পতিবার আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি নিজের জামিন আবেদন প্রত্যাহারের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তার যুক্তি ছিল, যার জন্য তিনি মুক্তি চেয়েছিলেন, তিনি আর বেঁচে নেই। তাই এখন আর কারাগারের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন অনুভব করছেন না তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে দীপু মনির জামিন প্রত্যাহারের ঘোষণা
- 📌 দীপু মনি বলেন, কারাগারে থাকায় স্বামীর শেষ সময়ে কাছে থাকতে পারেননি, যার জন্য মুক্তি চেয়েছিলেন
- 📌 ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী
- 📌 দীপু মনির আইনজীবী পূর্বে জামিন আবেদন করলেও তিনি তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান
- 📌 আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার। তার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তাধীন মামলায় দীপু মনিসহ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে উপস্থিত করা হয়েছিল।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দীপু মনি বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন। আগে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করলেও এখন তিনি সেই আবেদন আর বহাল রাখতে চান না।’ তিনি আদালতকে জানান, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা তার স্বামীকে জীবনের শেষ সময়ে কাছে পাননি। কারাগারে থাকায় স্বামীর শেষ সময়েও পাশে থাকতে না পারার কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
আবেগাপ্লুত হয়ে দীপু মনি বলেন, ‘৩৯ বছরের জীবনসঙ্গীর সঙ্গে শেষ সময় কাটানোর সুযোগ তিনি পাননি। যার জন্য মুক্তি চেয়েছিলেন, তিনি আর নেই। তাই এখন আর বাসায় ফেরার কোনো তাড়া নেই।’ যদিও তার সন্তানরা জামিন চান, তবুও তিনি নিজে সেই আবেদন প্রত্যাহার করতে চান বলে জানান।
দীপু মনির বক্তব্যের পর আদালতকক্ষে কিছু সময় নীরবতা বিরাজ করে। পরে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বলেন, ‘তার বক্তব্যে আদালত মর্মাহত। তবে জামিনের মতো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আদালতকে উভয় পক্ষের বক্তব্যসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিতে হয়।’
‘এর আগে জামিনের বিষয়ে আদালতের করা মন্তব্যের কথা তার মনে আছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. দীপু মনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ বছর, ১২ ঘণ্টা, ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!