📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দিনাজপুরের মহসীন আলীর খামার বিপ্লব: চাকরি ছেড়ে মহিষ পালনে সফল উদ্যোক্তা

দিনাজপুরের মহসীন আলীর খামার বিপ্লব: চাকরি ছেড়ে মহিষ পালনে সফল উদ্যোক্তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মীর মহসীন আলী চৌধুরী একসময় চাকরিজীবী ছিলেন। ২০১৬ সালে মাত্র ১৩টি গরু নিয়ে খামার শুরু করে এখন তিনি দেশি-বিদেশি জাতের ৯৭টি গবাদিপশু নিয়ে বিশাল খামার গড়ে তুলেছেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয় তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তিনি

ভোরের আলোয় মুখরিত দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রাম। সেখানে বিশাল আয়োজনে চলছে গবাদিপশুর খামার পরিচালনা। পাইকারদের সমাগমে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারের উদ্যোক্তা মীর মহসীন আলী চৌধুরী (৪৮)। একসময় তিনি ছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০০৭ সালে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন শুরু করেন মহসীন আলী চৌধুরী
  • 📌 ২০১৬ সালে মাত্র ১৩টি দেশি গরু নিয়ে খামারের যাত্রা শুরু
  • 📌 বর্তমানে খামারে রয়েছে দেশি-বিদেশি জাতের ৪৫টি গরু ও ভারতীয় সংকর জাতের ৫২টি মহিষ
  • 📌 ১০৭ শতক জমির ওপর নির্মিত খামারের প্রবেশপথে রয়েছে ‘পৃথ্বী এগ্রো’ নামের সাইনবোর্ড
  • 📌 তিনটি শেডের প্রতিটির দৈর্ঘ্য ২৪০ ফুট ও প্রস্থ ৯০ ফুট
  • 📌 খামারে নিয়মিত ১০ থেকে ১৫ জন কর্মী কাজ করছেন মাসিক বেতন ও দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে
  • 📌 খামারের মাসিক আয় থেকে আরও ৫৭ শতক জমি ক্রয় ও দুটি নতুন শেড নির্মাণ করেছেন মহসীন
  • 📌 প্রতিটি গরু ও মহিষকে দৈনিক ১২ থেকে ২২ কেজি পর্যন্ত খাদ্য সরবরাহ করা হয়

📰 বিস্তারিত

দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর শেষ করে মহসীন আলী চৌধুরী ঢাকায় কর্মজীবন শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থানে কাজ করত। সেই সুবাদে তিনি ঘুরেছেন নানা জেলা। কাছ থেকে দেখেছেন সফল খামারি ও উদ্যোক্তাদের কাজ। সেই অভিজ্ঞতায় তিনি ফিরে আসেন নিজের গ্রামে।

২০১৬ সালে মাত্র ১৩টি দেশি গরু নিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করেন মহসীন। বর্তমানে তাঁর খামারে রয়েছে দেশি-বিদেশি জাতের ৪৫টি গরু ও ভারতীয় সংকর জাতের ৫২টি মহিষ। গত শনিবার সরেজমিন দেখা যায়, ১০৭ শতক জমির ওপর গড়ে উঠেছে বিশাল এই খামার। প্রবেশপথে লেখা ‘পৃথ্বী এগ্রো’। তিনটি শেডের প্রতিটির দৈর্ঘ্য ২৪০ ফুট ও প্রস্থ ৯০ ফুট। সেখানে চলছে গরু ও মহিষ মোটাতাজাকরণের কার্যক্রম।

খামারে গরু-মহিষকে খড়, ভুসি, খইল, নেপিয়ার ঘাস, প্রাকৃতিক ঘাস ও সাইলেজ খাওয়ানো হয়। প্রতিটি গরু ও মহিষকে দৈনিক ১২ থেকে ২২ কেজি পর্যন্ত খাদ্য দেওয়া হয়। খামারের গুদামে দুই থেকে আড়াই মাসের খাদ্য মজুত থাকে। প্রায় আট বিঘা জমিতে মহাজন নিজেই নেপিয়ার ঘাস চাষ করেন।

বর্তমানে খামারের গরুগুলোর ওজন প্রায় ১০০ থেকে ৪০০ কেজি এবং মহিষগুলোর ওজন ২৫০ থেকে ৫০০ কেজির মধ্যে। তিন মাস পরপর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে পশু বিক্রি করেন মহসীন। এরপর কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রাজশাহীর সিটি হাটসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে তুলনামূলক কম মূল্যে গরু-মহিষ কিনে এনে মোটাতাজ করে আবার বিক্রি করেন।

"পড়ালেখা শেষ করে কয়েক বছর চাকরি করেছি, কিন্তু মন বসছিল না। ছোটবেলা থেকেই বাবাকে গরু-ছাগল পালন করতে দেখেছি। তাই সাহস করে অল্প পুঁজি নিয়েই খামার শুরু করি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর মহসীন আলী চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ বছর, ১৩টি গরু, ৪৫টি গরু, ৫২টি মহিষ, ১০৭ শতক জমি, ২৪০ ফুট দৈর্ঘ্য, ৯০ ফুট প্রস্থ, ১০-১৫ জন কর্মী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖