📌 ঝালকাঠি সদর উপজেলার দারখি এলাকায় সামাজিক বনবিভাগের ৯টি ক্ষতিগ্রস্ত গাছের টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিষ ফরাজী দায় স্বীকার করেছেন
ঝালকাঠি সদর উপজেলার দারখি এলাকায় সামাজিক বনবিভাগের ৯টি ক্ষতিগ্রস্ত গাছের টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা বনকর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার ও বনকর্মী মহিবুর রহমান রবিবার বিকেলে গাছের টুকরোগুলো উদ্ধার করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিষ ফরাজী দায় স্বীকার করেছেন যে, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত গাছগুলো কেটে সংরক্ষণ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঝালকাঠি সদর উপজেলার দারখি এলাকায় সামাজিক বনবিভাগের ৯টি গাছের টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিষ ফরাজী দায় স্বীকার করেছেন
- 📌 ইদ্রিষ ফরাজী দাবি করেছেন, বন্যা ও বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত গাছগুলোকে নষ্ট হতে না দিতে কেটে সংরক্ষণ করেছিলেন
- 📌 স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের জিম্মায় রাখা হয়েছে গাছের টুকরোগুলো
- 📌 সোমবার শ্রমিক নিয়ে গাছের টুকরোগুলো বনবিভাগে নিয়ে যাওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
ঝালকাঠি সদর উপজেলার দারখি এলাকায় সামাজিক বনবিভাগের আওতাধীন চামটা ও দারখী এলাকার গাছ একের পর এক কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। স্থানীয়রা জানান, দুর্বৃত্তদের ভয়ে কারো প্রতিবাদ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, সামাজিক বনবিভাগের গাছ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিষ ফরাজী সামাজিক বনবিভাগের স্থানীয় কমিটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি দাবি করেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত গাছগুলোকে নষ্ট হতে না দিতে নিজেই কেটে সংরক্ষণ করেছিলেন।
রবিবার বিকেলে জেলা বনকর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার ও বনকর্মী মহিবুর রহমান সরেজমিনে গিয়ে গাছের টুকরোগুলো উদ্ধার করেন। ইদ্রিষ ফরাজী গাছ কেটে আয়রন ব্রিজের নীচে ৯টি টুকরো রাখেন এবং বাকি অংশ নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। বনবিভাগের কর্মকর্তারা অভিযোগের ভিত্তিতে ব্রিজের নীচ থেকে টুকরোগুলো সনাক্ত করে এবং ইদ্রিষ ফরাজীর বাড়িতে গিয়ে গাছের অবশিষ্টাংশ দেখেন। সন্ধ্যা হওয়ায় গাছগুলো জব্দ করে স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের জিম্মায় রাখা হয়।
ইদ্রিষ ফরাজী দায় স্বীকার করে বলেন, বন্যা ও বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত গাছগুলোকে নষ্ট হতে না দিতে ছেলেকে নিয়ে কেটে জমা করছিলেন। তিনি বলেন, সোমবার বনবিভাগকে অবহিত করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রবিবার বিকেলেই বনবিভাগের কর্মকর্তারা জমা করা স্থানে উপস্থিত হয়ে গাছ জব্দ করেন। তিনি দাবি করেছেন, কাটার আগে বনবিভাগের অনুমতি নেয়া হয়নি এবং সে ভুল করেছে।
"বন্যা ও বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত গাছ যাতে নষ্ট না হয় এজন্য ছেলেকে নিয়ে কেটে জমা করছিলাম। সোমবার বনবিভাগকে অবহিত করতে চাইছিলাম, কিন্তু এরপূর্বে জেলা বনকর্মকর্তা জাকিরুল হক সরকার রবিবার বিকেলে জমা করা স্থানে উপস্থিত হয়ে গাছ জব্দ করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝালকাঠি সদর উপজেলা, দারখি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা বনকর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার, সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিষ ফরাজী, বনকর্মী মহিবুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি গাছের টুকরো
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!