📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫৩ বছর বয়সে গৃহবধূর এইচএসসি পাস: ৩২ বছর পর শিক্ষাজীবনে ফিরে সাফল্যের গল্প

৫৩ বছর বয়সে গৃহবধূর এইচএসসি পাস: ৩২ বছর পর শিক্ষাজীবনে ফিরে সাফল্যের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নীলফামারী জেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের এক গৃহবধূ শেফালী বেগম ৫৩ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করেছেন। ১৩ বছর বয়সে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেলেও ৩২ বছর পর তিনি শিক্ষাজীবনে ফিরে জিপিএ ৪.২১ পেয়েছেন

৫৩ বছর বয়সে শিক্ষাজীবনে ফিরে এইচএসসি পাস করেছেন নীলফামারী জেলার এক গৃহবধূ। দীর্ঘ ৩২ বছর পর তিনি শিক্ষার পথে আবার ফিরে এসেছেন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জিপিএ ৪.২১ পেয়ে সাফল্য অর্জন করেছেন। শেফালী বেগমের এই সাফল্য পরিবার ও সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৫৩ বছর বয়সে এইচএসসি পাস**: নীলফামারী জেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের শেফালী বেগম ৫৩ বছর বয়সে জিপিএ ৪.২১ পেয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
  • 📌 **৩২ বছর পর শিক্ষাজীবনে ফিরে**: ১৯৮৮ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেলেও ২০২০ সালে তিনি আবার শিক্ষাজীবনে ফিরে আসেন।
  • 📌 **স্বপ্নের পূরণ**: শেফালী বেগম আইন বিষয়ে অনার্সে ভর্তি হতে চান, যা তার ছেলেমেয়েদেরও সমর্থন করছে।
  • 📌 **পরিবারের সমর্থন**: স্বামী মকছেদুল আলম ও সন্তানরা তার পড়াশোনার পথে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
  • 📌 **সমাজের অনুপ্রেরণা**: শেফালী বেগমের সাফল্য শিক্ষাবঞ্চিতদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

📰 বিস্তারিত

শেফালী বেগমের শিক্ষাজীবনের শুরু ছিল অপ্রত্যাশিত। মাত্র ১১ মাস বয়সে তার বাবা দবির উদ্দিনের মৃত্যুর পর পরিবারের ভার তার কাঁধে পড়ে। অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ায় ১৯৮৮ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু তিনি শিক্ষার প্রতি আগ্রহ হারাননি। দীর্ঘ ৩২ বছর পর ২০২০ সালে তিনি গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন।

২০২৩ সালে তিনি ওই কলেজ থেকে জিপিএ ৪.২৯ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হন। বয়সের ব্যবধান, দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি বা সংসারের ব্যস্ততা—কিছুই তার ইচ্ছাশক্তির কাছে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলোয় বরাবর ভালো ফল করেছি। কিন্তু বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। পরবর্তী সময়ে আমার ভাগনি ও ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া দেখে নিজের মধ্যেও আবার পড়াশোনার ইচ্ছা জাগে।’

শেফালী বেগমের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত, ছোট ছেলে আবদুর রাজ শাফি কোরিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত, এবং মেয়ে মাকছুরা খানম রংপুর সরকারি কলেজে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। ছেলে আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি চাই, মা এখানেই থেমে না থেকে স্নাতকসহ আরও উচ্চশিক্ষা অর্জন করুক।’

শেফালী বেগমের স্বামী মকছেদুল আলম বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন পর নিজের সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ। তার এই সাফল্যে আমরা গর্বিত। ভবিষ্যতেও তার পড়াশোনার পথে পাশে থাকব আমরা।’ গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের প্রভাষক আবদুল মান্নান বলেছেন, শেফালী বেগমের এই সাফল্য সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। তিনি বলেন, ‘নিয়মিত অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ় মনোবল থাকলে জীবনের যেকোনো বয়সেই সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।’

"আমি আইন বিষয়ে অনার্সে ভর্তি হতে চাই। এটা আমার ছেলেমেয়েরাও চায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন, নীলফামারী জেলা, কালীগঞ্জ গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেফালী বেগম, মকছেদুল আলম, আবদুর রাজ্জাক, মাকছুরা খানম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৩ বছর (বয়স), ৩২ বছর (শিক্ষাবিরতি), জিপিএ ৪.২১ (এইচএসসি), ১১ মাস (বাবার মৃত্যুর সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖