📌 কক্সবাজারের একটি পাঁচতারকা হোটেলের পার্কিং এলাকা থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গাড়িগুলোর বৈধ কাগজপত্র না থাকায় প্রাথমিকভাবে শুল্ক ফাঁকি ও দলিল জালিয়াতির সন্দেহে এগুলো জব্দ করা হয়
কক্সবাজারের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের পার্কিং এলাকা থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গাড়িগুলোর ক্রয় ও আমদানি-সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সেগুলো জব্দ করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে গাড়িগুলো শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা বা দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজারের পাঁচ তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং থেকে তিনটি গাড়ি জব্দ
- 📌 গাড়িগুলোর বৈধ কাগজপত্র না থাকায় প্রাথমিকভাবে শুল্ক ফাঁকি ও দলিল জালিয়াতির সন্দেহ
- 📌 জব্দকৃত গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে টয়োটা, হোন্ডা ও মাজদা মডেল
- 📌 অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজার শহরের পাঁচ তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি গাড়ি জব্দ করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ। অভিযানে অংশ নেওয়া দলটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে।
জব্দকৃত তিনটি গাড়ির মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেট্রোর নম্বরের লাল রঙের টয়োটা, লাল রঙের হোন্ডা এবং টুইন গ্রে রঙের মাজদা। অভিযানের সময় টয়োটা গাড়িটির বহনকারী হিসেবে মো. হাসিবুর রহমান সিনহা, হোন্ডা গাড়িটির বহনকারী মো. সাফিয়াত মাহমুদ এবং মাজদা গাড়িটির বহনকারী মো. সারাফাত রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তাঁরা গাড়িগুলোর ক্রয় বা আমদানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় কোনো তথ্য বা দলিল উপস্থাপন করতে পারেননি।
এর ফলে গাড়িগুলোর বৈধতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে পার্কিংয়ে থাকা অবস্থায় সেগুলো জব্দ করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গাড়িগুলো শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, ভিন্নতর উপায়ে বা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ক্ষেত্রে দলিল জালিয়াতির বিষয়টিও সামনে এসেছে।
"প্রাথমিক অনুসন্ধানে গাড়িগুলো শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, ভিন্নতর উপায়ে বা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ক্ষেত্রে দলিল জালিয়াতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। জব্দ করা গাড়িগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার শহরের পাঁচ তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেজভী আহম্মেদ (অতিরিক্ত মহাপরিচালক, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিনটি গাড়ি জব্দ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!