📌 কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ সদস্য আতাউল কবিরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত ঢাকা আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষ থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ সদস্য আতাউল কবিরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজার শহরের ঢাকা আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষ থেকে ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার পুলিশ সদস্য আতাউল কবিরের লাশ
- 📌 মৃত আতাউল কবিরের বয়স ছিল ৪৪ বছর এবং তিনি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজবাড়ী এলাকার উরুবুনিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মজুমদারের ছেলে
- 📌 বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে একাই হোটেলের কক্ষে ওঠেন আতাউল কবির, নির্ধারিত চেকআউট সময় ছিল শুক্রবার বেলা ১১টা
- 📌 হোটেল কর্মীদের বারবার ধাক্কা দেওয়া সত্ত্বেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় বিষয়টি কক্সবাজার সদর থানায় জানানো হয়
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশ পরিচয়পত্র, মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত ঢাকা আবাসিক হোটেল থেকে শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ সদস্য আতাউল কবিরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। মৃত আতাউল কবির পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজবাড়ী এলাকার উরুবুনিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মজুমদারের ছেলে।
হোটেল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আতাউল কবির একাই হোটেলের ৪০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। হোটেলের নথি অনুযায়ী, তার চেকআউট করার নির্ধারিত সময় ছিল শুক্রবার বেলা ১১টা। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেল কর্মীরা কয়েক দফা ধাক্কা দেন। তবে ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় বিষয়টি কক্সবাজার সদর থানায় জানানো হয়।
এরপর বিকাল ৪টার দিকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যের লাশ দেখতে পান তারা। ঘটনাস্থল থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশ পরিচয়পত্র, মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত মালামাল সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
"আতাউল কবির দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের মধ্যে ছিলেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না।" — নুরুল আবছার, ইনচার্জ, হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ
আতাউল কবির তাদের ইউনিটে কর্মরত ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ নুরুল আবছার। তিনি জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে পারছেন না পুলিশ। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা আবাসিক হোটেল, কক্সবাজার শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আতাউল কবির (৪৪), নুরুল আবছার, শেখ মোহাম্মদ আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ বছর, ৪০১ নম্বর কক্ষ, বৃহস্পতিবার রাত ৯টা, শুক্রবার বিকাল ৪টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!