📌 ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে কেন্দ্র করে কালচারাল ট্যুরিজম বিকাশে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পর্যটন খাতের অবদান জিডিপিতে ৭-৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০২৬: দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে কেন্দ্র করে কালচারাল ট্যুরিজমের বিকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত
- 📌 পর্যটন খাতের জিডিপি অবদান ৭-৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা
- 📌 দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে
- 📌 ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠনের পরিকল্পনা
- 📌 বিমানবন্দরে বিদেশি যাত্রীদের কাছে ‘নজরুল বর্ষ’ প্রচারের প্রস্তাব
📰 বিস্তারিত
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়া সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প, যা সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। সরকার এ অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠন করা হবে। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বিমানবন্দরে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের কাছে ‘নজরুল বর্ষ’ প্রচারের প্রস্তাব দেন। পর্যটন মন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের দেশীয় ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো। এই ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সরকার কাজ করছে। ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে পর্যটন থিমকে সামনে রেখে উন্নয়ন করা হবে। তিনি জানান, দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে টাস্কফোর্সের সদস্যরা পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
"পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প, যার সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, নিতাই রায় চৌধুরী, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি মন্ত্রণালয়, ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান, ২-৩ শতাংশ (বর্তমান জিডিপি অবদান), ৭-৮ শতাংশ (লক্ষ্যমাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!