📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে সরকারি খাসজমি দখলমুক্ত করতে অভিযান চালাল প্রশাসন

কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে সরকারি খাসজমি দখলমুক্ত করতে অভিযান চালাল প্রশাসন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাসজমি অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে প্রভাবশালী চক্রের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েমের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে সুগন্ধা পয়েন্টে অবস্থিত প্রায় ৫০০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাসজমি অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার বিকেল ৫টার দিকে পরিচালিত এই অভিযানে সুগন্ধা পয়েন্টের প্রবেশমুখে অবস্থিত প্রায় ৫ একর জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুগন্ধা পয়েন্টে প্রায় ৫ একর সরকারি খাসজমি দখলমুক্ত করা হয়েছে।
  • 📌 অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম।
  • 📌 গত শুক্রবার রাতে প্রভাবশালী চক্রটি জমিটি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে।
  • 📌 স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনে ১৩০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
  • 📌 ২০১২ সাল থেকে জেলা প্রশাসন বাতিল হওয়া প্লটগুলো দেখভাল করে আসছে।

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েমের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সুগন্ধা পয়েন্টের সরকারি খাসজমি থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে শতাধিক ব্যক্তি তড়িঘড়ি করে ওই জমিতে টিন ও বাঁশ দিয়ে বেড়া নির্মাণ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুগন্ধা পয়েন্টে অবস্থিত এস আলম গ্রুপের বাতিল হওয়া প্লটটি দখল করে ভাসমান হকাররা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন।

স্থানীয় নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুগন্ধা পয়েন্টের সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতারা প্রায়ই সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন এলাকার সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করেন।

জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানান, বাতিল হওয়া প্লট নিয়ে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। এতে নতুন করে কোনো স্থাপনা নির্মাণ বা ইজারা দেওয়া আইনগতভাবে বৈধ নয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান সায়েম জানান, সরকারি জমি দখল হওয়ার বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আসার পর দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরও বলেন, সেখানে ইতিমধ্যে সরকারি জমি হিসেবে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করা হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"সরকারি জমি দখল হওয়ার বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আসার পর দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সেখানে ইতিমধ্যে সরকারি জমি হিসেবে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুগন্ধা পয়েন্ট, কক্সবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ কোটি টাকা, ৫ একর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖