📌 কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় সালিশ বৈঠকে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নে গত ১৭ আগস্ট বিকেলে সালিশ বৈঠকে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালিশ বৈঠকে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন
- 📌 ঘটনাটি ঘটে মাধবপুর ইউনিয়নের বলাকিয়া গ্রামে, গত ১৭ আগস্ট বিকেলে
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়
- 📌 অভিযুক্ত নারীটির বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় যুবকের সঙ্গে
- 📌 ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর ইউনিয়নের চারিপাড়া গ্রামের বিল্লাল হোসেন নামের এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর পরকীয়ার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে ওই নারী ও ওই পুরুষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে ওই পুরুষকে শাস্তি দেওয়ার কোনো ভিডিও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, কোনো অভিযোগের বিচার করার এখতিয়ার সালিসকারীদের নেই। প্রকাশ্যে একজন নারীকে এভাবে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা মানবিক মর্যাদার পরিপন্থী।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘প্রবাসী স্বামীর সংসারে থেকে ওই নারী পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সামাজিকভাবে বিচার করেছেন। আমি শুধু সামাজিক বিচারের রায় কার্যকর করেছি।’
এ বিষয়ে বিশিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, একজন নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করা গুরুতর অপরাধ। তিনি অপরাধী হয়ে থাকলেও তাঁকে আইনের কাছে সোপর্দ করা উচিত ছিল। একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়।’
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। কী কারণে ওই নারীকে এভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
‘প্রবাসী স্বামীর সংসারে থেকে ওই নারী পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সামাজিকভাবে বিচার করেছেন। আমি শুধু সামাজিক বিচারের রায় কার্যকর করেছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাধবপুর ইউনিয়ন, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফরিদ উদ্দিন (চেয়ারম্যান), মোহাম্মদ শাহজাহান (আইনজীবী), মো. ফারুক হোসেন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!