📌 চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী তেল ট্যাংকার এমটি সি স্পাইকের সঙ্গে এমভি সান শাইন নামের বাল্ক ক্যারিয়ারের সংঘর্ষ হয়। ইঞ্জিনকক্ষে ফাটল দেখা দেওয়ায় সাময়িক বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটলেও কোনো তেল নিঃসরণ ঘটেনি বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী এমটি সি স্পাইক নামের তেল ট্যাংকারটির সঙ্গে এমভি সান শাইন নামের বাল্ক ক্যারিয়ারের সংঘর্ষ হয়েছে। দুর্ঘটনায় তেলবাহী জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষে প্রায় এক বর্গমিটার ফাটল সৃষ্টি হয়ে পানি ঢুকলে সাময়িক বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। তবে ডিজেল রাখা কার্গো ট্যাংকগুলো অক্ষত রয়েছে এবং কোনো তেল সাগরে ছড়িয়ে পড়েনি বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমটি সি স্পাইক নামের তেল ট্যাংকারটির সঙ্গে এমভি সান শাইন নামের বাল্ক ক্যারিয়ারের সংঘর্ষ হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায়
- 📌 তেলবাহী জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষে প্রায় এক বর্গমিটার ফাটল সৃষ্টি হয়ে পানি ঢোকায় সাময়িক বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে
- 📌 প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী তেল ট্যাংকারটির কার্গো ট্যাংকগুলো অক্ষত রয়েছে
- 📌 দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেয়
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে এমটি সি স্পাইক নামের তেলবাহী ট্যাংকারটির সঙ্গে এমভি সান শাইন নামের বাল্ক ক্যারিয়ারের সংঘর্ষ ঘটে। তীব্র স্রোতের কারণে তেলবাহী জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে তদন্তের পর দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
সংঘর্ষের পর তেলবাহী জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষে প্রায় এক বর্গমিটার ফাটল দেখা দেয়। ওই ফাটল দিয়ে পানি ঢোকায় জাহাজটিতে সাময়িক বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। জরুরি ব্যাটারির সাহায্যে জাহাজটির বেতার যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। জাহাজটিকে স্থিতিশীল রাখতে দুটি নোঙর ফেলা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজটির কার্গো ট্যাংকগুলো অক্ষত রয়েছে এবং কোনো ট্যাংকে পানি ঢোকেনি। জাহাজ থেকে তেল নিঃসরণের ঘটনাও ঘটেনি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেয়।
"দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে যোগ দেয়। বন্দরের টাগবোট ‘কান্ডারি-৮’ দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করছে। একই সঙ্গে জাহাজে থাকা ডিজেল দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা নিতে শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিংকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফাটল মেরামত ও জাহাজ উদ্ধারে একটি উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানকেও কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাহাজের মাস্টারের সঙ্গে বন্দর কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ রেফায়েত হামিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!