📌 সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিলে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসে ১০ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গ্যাস-ফ্রি সনদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে চট্টগ্রামে বিস্ফোরক পরিদপ্তর ঘেরাও করেছে জাহাজভাঙা শ্রমিক সেফটি কমিটি। তারা এমটি রাসি জাহাজের গ্যাস পরীক্ষা ও সনদ প্রদান প্রক্রিয়া তদন্তের দাবি জানিয়েছেন
চট্টগ্রামে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের কার্যালয় ঘেরাও করে এমটি রাসি জাহাজে গ্যাস দুর্ঘটনায় নিহত ১০ শ্রমিকের পরিবারের দাবি আদায়ে সোচ্চার হয়েছে জাহাজভাঙা শ্রমিক সেফটি কমিটি। সোমবার সকালে চট্টগ্রামের বিস্ফোরক পরিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের মাধ্যমে তারা সরকারি দপ্তর ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমটি রাসি জাহাজে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস বিষক্রিয়ায় ১৪ আগস্ট ৯ শ্রমিক ও ২১ আগস্ট আরও ১ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে
- 📌 জাহাজভাঙা শ্রমিক সেফটি কমিটির সদস্যরা বিস্ফোরক পরিদপ্তরের গ্যাস-ফ্রি সনদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন
- 📌 সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন তপন দত্ত, এ এম নাজিম উদ্দিন, রবিউল হক শিমুল, কে এম শহিদুল্লাহ, মো. ইদ্রিছ, আবু আহমেদ মিয়া ও জামাল উদ্দিন
- 📌 শ্রমিক নেতারা এমটি রাসির গ্যাস পরীক্ষা ও সনদ প্রদান প্রক্রিয়া তদন্তের দাবি জানিয়েছেন
- 📌 সমাবেশ থেকে ১২ দফা দাবি উত্থাপিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গ্যাস-ফ্রি সনদের প্রকাশ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
📰 বিস্তারিত
সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে গত ১৪ আগস্ট এমটি রাসি জাহাজে কাজ করার সময় বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের বিষক্রিয়ায় ঘটনাস্থলেই ৯ শ্রমিক নিহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ আগস্ট আরও একজনের মৃত্যু হলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ জনে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাহাজভাঙা শ্রমিক সেফটি কমিটির উদ্যোগে চট্টগ্রামের বিস্ফোরক পরিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন, স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক রবিউল হক শিমুল, বিএফটিইউসির সাধারণ সম্পাদক কে এম শহিদুল্লাহ, বাংলাদেশ মুক্ত শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মো. ইদ্রিছ, জাহাজভাঙা যুব নেটওয়ার্কের সদস্য আবু আহমেদ মিয়া এবং জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন।
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘জাহাজভাঙার আগে এমটি রাসি জাহাজটি বিস্ফোরক পরিদপ্তরের কাছ থেকে গ্যাস-ফ্রি সনদ পেয়েছিল। তাহলে শ্রমিকরা কীভাবে প্রাণঘাতী গ্যাসে আক্রান্ত হলেন? এটি কি গ্যাস-ফ্রি সনদ নাকি মৃত্যুর সনদ?’ তিনি অবিলম্বে সনদের সত্যায়িত কপি প্রকাশ ও পুরো প্রক্রিয়া তদন্তের দাবি জানান।
জাহাজভাঙা শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্যকেন্দ্রের সমন্বয়ক ফজলুল কবির মিন্টু বলেন, জাহাজভাঙা শিল্পে শ্রমিকদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু ইয়ার্ড মালিকের দায়িত্ব নয়; সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও পরিদর্শন ব্যবস্থার কার্যকারিতাও প্রশ্নবিদ্ধ।
‘এটা কি গ্যাস-ফ্রি সনদ নাকি মৃত্যুর সনদ?’ — জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তপন দত্ত, এ এম নাজিম উদ্দিন, ফজলুল কবির মিন্টু, জামাল উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন শ্রমিক নিহত, ১২ দফা দাবি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!