📌 চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে পরিণত করার জন্য পরিচ্ছন্ন বিভাগকে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। ডেঙ্গু হটস্পট এলাকাগুলোতে মশা নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জোর দেওয়া হয়েছে
চট্টগ্রামকে ডেঙ্গু-মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় সভায় সাতটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি জলাবদ্ধতা ও ডেঙ্গু রোধে নগরবাসীদের ও কর্পোরেশনের যৌথ দায়িত্বের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জলাবদ্ধতা রোধে মেয়র নির্দেশ দেন: বৃষ্টিপাতের সময় পানিপ্রবাহের পথ অবরুদ্ধ না হওয়ার জন্য নিশ্চিত করতে হবে।
- 📌 ডেঙ্গু হটস্পট এলাকাগুলো — কোতোয়ালী, হালিশহর, বন্দর, আকবরশাহ, বাকলিয়া ও চকবাজার — এসব এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে হবে।
- 📌 বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চসিকের দু’টি বর্জ্যাগারে বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও গ্রিন ফুয়েল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 নাগরিকদের আহ্বান: পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীদের বাসায় ময়লা সংগ্রহের সময় বর্জ্য হস্তান্তর করতে হবে।
- 📌 ক্লিন সিটি প্রকল্প মেয়র বলেন, এটি পরিচ্ছন্ন বিভাগের একক দায়িত্ব নয় — এটি নাগরিক ও কর্পোরেশনের যৌথ দায়িত্ব।
📰 বিস্তারিত
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘হঠাৎ মুষলধারে বৃষ্টি পড়লে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে পানিপ্রবাহের পথ অবরুদ্ধ না হওয়ার জন্য নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও, থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে প্রাকৃতিকভাবে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’ তিনি ডেঙ্গু রোগের হটস্পট এলাকাগুলোতে বিশেষ মনোযোগ দিতে বলেন।
মেয়র জানান, ‘চট্টগ্রামে উৎপাদিত বর্জ্য খাল-নালায় চলে যাওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এছাড়াও, যত্রতত্র ময়লা ফেলা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। নগরবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীরা যখন বাসায় ময়লা সংগ্রহ করতে যাবেন, নিয়মিত তাদের কাছে বর্জ্য হস্তান্তর করবেন। এতে রাস্তা ও ড্রেন পরিষ্কার থাকবে এবং পরিবেশ সুস্থ থাকবে।’
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘চসিকের দু’টি বর্জ্যাগারে জমাকৃত বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস, গ্রিন ফুয়েল ও জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে নগরীর আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।’
"ক্লিন সিটি বাস্তবায়ন কেবল পরিচ্ছন্ন বিভাগের দায়িত্ব নয়; এটি নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ দায়িত্ব। শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করা গেলে জলাবদ্ধতা কমবে, পরিবেশের মান উন্নত হবে এবং চট্টগ্রাম একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক), টাইগারপাস কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ সেপ্টেম্বর (সভার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!