📌 পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক আসাদুল হকের (৩৮) মরদেহ প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর ফিরে আসে। ঘটনায় আরো দুজন আহত হন, তাদের মধ্যে একজন এখনও নিখোঁজ। দিনাজপুর বিজিবির কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
পীরগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক আসাদুল হকের (৩৮) মরদেহ প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর ফিরে আসে। গত রোববার রাত ৮টায় দানাজপুর সীমান্তের পিলার এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পীরগঞ্জের বৈরচুনা ইউনিয়নের ইন্দ্রইল গ্রামের আসাদুল হক (৩৮) বিএসএফের গুলিতে নিহত হন এবং তার মরদেহ ৪০ ঘণ্টা পর ফিরে আসে
- 📌 ঘটনায় আরো দুজন আহত হন: মোস্তাকিম (৩২) ও উদা রায় (৩৪), তাদের মধ্যে একজন এখনও নিখোঁজ
- 📌 শনিবার ভোরে চান্দেরহাট বিওপির ৩৩৩ নম্বর পিলারের কাছে চার বাংলাদেশি ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফের গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হন
- 📌 বিএসএফের ৬৩ চকশিবানন্দ ক্যাম্পের টহলদল গুলি চালায়, আহত তিনজনকে ভারতের কালিয়াগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়
- 📌 আসাদুলের মৃত্যু ঘটে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়, তার পরিবার দুঃখের মধ্যে মরদেহ পায়
📰 বিস্তারিত
পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের ইন্দ্রইল গ্রামের আব্দুল ওয়াজেদ আলীর ছেলে আসাদুল হক (৩৮) বিএসএফের গুলিতে নিহত হন। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন এবং দুই মেয়ে ও এক ছেলের বাবা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিজিবি কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে চান্দেরহাট বিওপির ৩৩৩ নম্বর মেইন পিলারের কাছে চার বাংলাদেশি ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় ভারতের ৬৩ চকশিবানন্দ বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদল তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে আসাদুল হক, মোস্তাকিম (৩২) ও উদা রায় (৩৪) আহত হন।
বিএসএফ সদস্যরা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসাদুলের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর আয়ুব আলী নিখোঁজ রয়েছেন। আহত মোস্তাকিম ও উদা রায়কে চিকিৎসা শেষে রায়গঞ্জ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, সীমান্তে গুলির ঘটনার পর বিএসএফের সঙ্গে একাধিকবার পতাকা বৈঠক করা হয়। বৈঠকে বিএসএফ একজন নিহত এবং দুজনকে আটক করার কথা জানায়। পরে টানা তিন দফা আলোচনা ও পতাকা বৈঠকের পর রোববার রাতে আসাদুলের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। পীরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল হাকিম জানান, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে আসাদুল হকের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।
"আসাদুল হকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনায় আরো দুজন আহত, তাদের মধ্যে একজন এখনও নিখোঁজ।" — লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পীরগঞ্জ উপজেলা, ঠাকুরগাঁও, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুল হক (৩৮), মোস্তাকিম (৩২), উদা রায় (৩৪), লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ ঘণ্টা, ৩৮ বছর, ৩২ বছর, ৩৪ বছর, ৪২ বিজিবি, ৩৩৩ নম্বর পিলার, ৬৩ চকশিবানন্দ ক্যাম্প
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!