📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে ইরান যুদ্ধের প্রভাব: বিভেদের মধ্যেও নতুন বিশ্বব্যবস্থার চর্চা শুরু

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে ইরান যুদ্ধের প্রভাব: বিভেদের মধ্যেও নতুন বিশ্বব্যবস্থার চর্চা শুরু

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী 'নিয়ম সৃষ্টিকারী' হওয়ার আহ্বান জানান। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ হলেও বিভেদ এখনো অব্যাহত। ব্রিকস জোটের সদস্যরা একত্রিত হলেও তাদের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ ও সামরিক সংঘর্ষের ইতিহাস রয়েছে

দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বের ক্ষমতাধর নেতারা একত্রিত হলেও তাদের মধ্যে বিভেদের ছায়া এখনো অব্যাহত রয়েছে। এই সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা দেন যে, ব্রিকস সদস্যরা শুধু 'নিয়মের অনুসারী' নয়, বরং 'নিয়ম সৃষ্টিকারী' হয়ে উঠতে পারেন। এই বক্তব্য শুনছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের মাসুদ পেজেশকিয়ান, আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিল রামাফোসা সহ ব্রিকস জোটের অন্যান্য নেতারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **দিল্লি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে** ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হলেও বিভেদ এখনো অব্যাহত
  • 📌 **প্রধানমন্ত্রী মোদী** ঘোষণা দেন, ব্রিকস সদস্যরা 'নিয়ম সৃষ্টিকারী' হয়ে উঠতে পারেন, না শুধু 'নিয়মের অনুসারী'
  • 📌 **ব্রিকস জোটের সদস্যরা** মধ্যে সীমান্ত বিরোধ ও সামরিক সংঘর্ষের ইতিহাস থাকলেও ভারত তাদের একত্রিত করতে সক্ষম হয়েছে
  • 📌 **নয়াদিল্লি ঘোষণায়** ইরান যুদ্ধের বিষয়ে "সর্বোচ্চ সংযম" প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হলেও কারও ওপর দায় আরোপ করা হয়নি
  • 📌 **যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না করে** একতরফা নিষেধাজ্ঞার নিন্দা করা হলেও মার্কিন প্রভাব কমানোর চেষ্টা স্পষ্ট

📰 বিস্তারিত

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতারা এই সপ্তাহেই দিল্লিতে একত্রিত হন এবং একটি বিশাল বৃত্তাকার টেবিলে বসে আলোচনা করেন। এই সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা দেন যে, ব্রিকস সদস্যরা শুধু প্রচলিত নিয়মের অনুসারী নয়, বরং নতুন নিয়ম সৃষ্টিকারী হতে পারেন। এই বক্তব্য শুনছিলেন ব্রিকস জোটের সদস্যরা, যার মধ্যে ছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের মাসুদ পেজেশকিয়ান, আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিল রামাফোসা।

ব্রিকস জোটের সদস্যরা একত্রিত হলেও তাদের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ ও সামরিক সংঘর্ষের ইতিহাস রয়েছে। ২০২০ সালে ভারত ও চীন তাদের বিতর্কিত সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিপরীত অবস্থানে ছিল। এই সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। তেহরান তারই এক ব্রিকস সদস্য দেশের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছিল।

ব্রিকস জোটের সদস্যরা একত্রিত হওয়ার পিছনে ভারতের কূটনৈতিক প্রভাবের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এই সম্মেলনে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হলেও বিভেদ এখনো অব্যাহত রয়েছে। ব্রিকস জোটকে পশ্চিমবিরোধী জোট হিসেবে তুলে ধরতে ভারত আগ্রহী নয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, এই জোট "কারও বিরুদ্ধে নয়"।

জ্যেষ্ঠ ভারতীয় কূটনীতিক ও সাবেক রাষ্ট্রদূত অনিল ত্রিগুনায়াত বলেছেন, ভারত যা অর্জন করেছে তা হলো "যুদ্ধের যুগে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের" পক্ষে জোরালো অবস্থান এবং সদস্যদের মধ্যে "আরও বৃহত্তর সহযোগিতা বৃদ্ধির" উদ্যোগ।

"এই জোটে এমন কিছু দেশ আছে যারা এটিকে পশ্চিমবিরোধী রূপ দিতে চায়, কিন্তু এটি তা নয়"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র মোদী, শি জিনপিং, ভ্লাদিমির পুতিন, মাসুদ পেজেশকিয়ান, শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, সিরিল রামাফোসা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মিনিট (পড়ার সময়), ২৪ ঘণ্টারও বেশি (সম্মেলনের সময়কাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖