📌 স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আবাসন উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়। প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাবসহ বিভিন্ন প্রকল্পে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বৃহস্পতিবার চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন-এর সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশে অবকাঠামো, বন্দর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়োনিষ্কাশন ও আবাসন উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা বৃদ্ধির আলোচনা হয় বৈঠকে
- 📌 দাশেরকান্দি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের সম্প্রসারণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা
- 📌 রাজধানীর কড়াইল, গুলশান ও মহাখালী বস্তির উন্নয়নে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব চীনের কাছে দেওয়া হয়েছে
- 📌 আগামী সেপ্টেম্বরে চীনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা করছে।
বৈঠকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়োনিষ্কাশন, আবাসন উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, রাজধানীর কড়াইল, গুলশান ও মহাখালী বস্তির উন্নয়নে আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব চীনের কাছে দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে চীন প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে তাঁর চীন সফরের সময় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনের সহযোগিতা নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ রয়েছে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
"বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে জনসংযোগ আরও বৃদ্ধি করতে চীন আগ্রহী।"
"চীনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে। বিশেষ করে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নগর উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে চীনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আবদুল মঈন খান, মীর শাহে আলম, ইয়াও ওয়েন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!