📌 চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চিড়িয়াখানায় প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে প্রবেশ পাবেন। ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক জমা দিয়ে ৭০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে চিড়িয়াখানায় যেতে পারবেন। ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে পুনর্ব্যবহারের জন্য
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চিড়িয়াখানায় প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের জন্য একটি উদ্ভাবনী কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় শিক্ষার্থীরা প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনামূল্যে চিড়িয়াখানায় প্রবেশের সুযোগ পাবেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) চিড়িয়াখানায় পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন কর্মসূচির মাধ্যমে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, শিশু-কিশোরদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে চিড়িয়াখানায় বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
- 📌 ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনামূল্যে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে পারবেন। সাধারণ প্রবেশ টিকিটের মূল্য ৭০ টাকা।
- 📌 ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে পুনর্ব্যবহারের জন্য।
- 📌 চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ড. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে সরকারি সংস্থা, সিটি করপোরেশন ও নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
- 📌 ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্লাস্টিকের পাত্র, বোতল ও ডাবের খোসা যত্রতত্র না ফেলার অনুরোধ জানান শাহাদাত হোসেন।
- 📌 জাপান থেকে ২০টি কমপ্যাক্টর ডাম্প ট্রাক সিটি করপোরেশনে যুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।
- 📌 গত ২৫ জুলাইয়ের অভিযানে প্রায় এক কোটি বর্গফুট এলাকা থেকে ১৩৫ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এতে ৬ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ২ হাজার ২৯৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে চাই। তিনি বলেন, “শিশুদের মুঠোফোনের পর্দার বাইরে এসে প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আহ্বান জানাই।” জেলা প্রশাসক জানান, পরবর্তী সময়ে কাজীবাড়ি পুকুর, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত ও জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ড. শাহাদাত হোসেন বলেন, “একক কোনো সংস্থার পক্ষে পুরো নগর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।” তিনি ফয়’স লেকসংলগ্ন চিড়িয়াখানা, পাহাড়ি ছড়া ও প্রাকৃতিক জলাধার দূষণমুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি আরও বলেন, বাড়ির ছাদ, বারান্দা ও আঙিনায় পানি জমতে না দেওয়ার ওপর জোর দিতে বলেছেন।
জেলা প্রশাসনের আগের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির তথ্য তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, গত ২৫ জুলাইয়ের অভিযানে তিন হাজারের বেশি সরকারি ভবন ও প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক কোটি বর্গফুট এলাকা থেকে ১৩৫ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এতে ৬ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ২ হাজার ২৯৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। জেলা প্রশাসক জানান, পরবর্তী সময়ে কাজীবাড়ি পুকুর, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত ও জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে। জেলার প্রায় দুই হাজার মসজিদে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং প্রায় ১০০ হোটেল-রেস্তোরাঁর রান্নাঘর ও আশপাশ পরিষ্কারের কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে।
"শিশুদের মুঠোফোনের পর্দার বাইরে এসে প্রকৃতি ও প্রাণিজগতের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আহ্বান জানাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা ও ফয়’স লেক সংলগ্ন এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ড. শাহাদাত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক, ৭০ টাকা টিকিট মূল্য, ২০টি কমপ্যাক্টর ডাম্প ট্রাক, ১৩৫ টন বর্জ্য, ৬ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী, ২ হাজার ২৯৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!