📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কলেজছাত্রী তাহমিনা আক্তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চীনা যুবক ওয়াং চাওয়ের সঙ্গে পরিচিত হয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা চলে গেলেন চীন। স্থানীয়রা তাদের দেখতে আসলেও বাড়িতে পাওয়া যায়নি
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হয়ে বিয়ে করা এক কলেজছাত্রী ও চীনা যুবক দুজনেই লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন চীন। ঘটনাটি এলাকায় কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নকুলহাটি গ্রামের কলেজছাত্রী তাহমিনা আক্তার (২০) চীনা যুবক ওয়াং চাও (২৫)-এর সঙ্গে বিয়ে করেন এবং তারা দুজনেই চলে গেছেন চীন
- 📌 বিয়ের আগে হলফনামা দিয়েছিলেন ওয়াং চাও, পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী বিয়ে হয় ১৯ অক্টোবর ঢাকায়
- 📌 বিয়ের পর ২৬ অক্টোবর রাতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন ওয়াং চাও, কিন্তু শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে তারা বাড়িতে পাওয়া যায়নি
- 📌 তাহমিনার পরিবার জানায়, তারা চীনে চলে যাবেন, কিন্তু ওয়াং চাও সম্পর্কে তাদের বিস্তারিত তথ্য জানা নেই
- 📌 আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেছেন, বিষয়টি লোকমুখে জানতে পেরেছেন এবং বিস্তারিত জানাতে যাচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি গ্রামে বসবাসকারী তাহমিনা আক্তার (২০) ফরিদপুর শহরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চীনা নাগরিক ওয়াং চাও (২৫)-এর সঙ্গে পরিচিত হন। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর পরিবার প্রথমে সম্মত হয়নি, কিন্তু তাহমিনা নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় পরে তারা বিয়েতে সম্মতি দেন।
১৯ অক্টোবর ঢাকায় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে হলফনামা দিয়েছিলেন ওয়াং চাও। পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২৬ অক্টোবর রাতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি নকুলহাটি গ্রামে আসেন ওয়াং চাও। স্থানীয়রা তাঁকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকলেও শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে তাঁদের আর বাড়িতে পাওয়া যায়নি। পরিবার জানায়, তারা লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন।
তাহমিনার পরিবার জানান, ওয়াং চাও সম্পর্কে তাদের বিস্তারিত তথ্য জানা নেই। বর্তমানে তাহমিনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির কাজ চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তারা দুজনই চীনে চলে যাবেন। আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, বিষয়টি আজই লোকমুখে জানতে পেরেছেন। তিনি ওই বাড়িতে যাচ্ছেন এবং পরে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।
"আমি ওই বাড়িতে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুরের সালথা উপজেলা, নকুলহাটি গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাহমিনা আক্তার (২০), ওয়াং চাও (২৫), মো. ফারুক হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ (তাহমিনার বয়স), ২৫ (ওয়াং চাওয়ের বয়স), ১৯ (বিয়ের তারিখ), ২৬ (শ্বশুরবাড়িতে আসার তারিখ), ৩১ (লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যাওয়া তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!